Main Menu

সিলেটে বাউল শিল্পী ধর্ষণ, ৩ মাসেও অধরা ধর্ষকরা

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে নারী বাউল শিল্পী ধর্ষণ মামলার তিন মাসেও ধরা পড়েনি ধর্ষক এবং ঘটনার নেপথ্যের নায়ক ও সহযোগীরা।

Manual1 Ad Code

উপরন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল অপপ্রচার ও হুমকি-ধমকির মাধ্যমে ধর্ষিতার জীবন বিষিয়ে তুলেছে ধর্ষক ও তার সহযোগীরা। ফলে চরম নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন পাশবিকতার শিকার ওই নারী বাউল শিল্পী। মামলার পর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন ওই নারী শিল্পী।

Manual4 Ad Code

অভিযোগে প্রকাশ-সিলেট বিভাগ বাউল কল্যাণ সমিতির সভাপতি হচ্ছেন দক্ষিণ সুরমার ধরাধরপুর গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার কামাল উদ্দিন রাসেল।এই সমিতির অন্যতম নেতা হচ্ছেন রাসেলের নিজগ্রাম ধরাধরপুরের বাবুল মিয়া। বাস্তুত কামাল উদ্দিন রাসেলের নেতৃত্বে সিলেটে ওই সমিতির বাউল গানের আসর জমে থাকে। এই সুযোগে কামাল উদ্দিন রাসেলের যোগ সাজশে বাউল শিল্পী কল্যাণ সমিতির অন্যতম নেতা বাবুল মিয়া গানের বায়না করার কথা বলে গত ১৯ এপ্রিল ঢাকা থেকে ওই নারী বাউল শিল্পীকে সিলেট নিয়ে আসেন। পরে বাবুল মিয়া ওই নারী শিল্পীকে সিলেট নগরের সাগরদিঘিরপার সুরমা আবাসিক এলাকার ২৩ নং বাসার একটি কক্ষে আটকে রেখে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এসময় ধর্ষণের ভিডিও ধারন করান বাউল শিল্পী কল্যাণ সমিতির সদস্য এসএমপির এয়ারপোর্ট থানাধীন গোয়াবাড়ির শাহীন মিয়া ও জালালাবাদ থানাধীন দূসকি গ্রামের নিজাম সহ অজ্ঞাতনামা আরো একজনকে দিয়ে। পরে তারা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক দিয়ে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে শিল্পীর টাকাকড়ি কেড়ে নেন।

Manual4 Ad Code

এ ঘটনায় ওই নারী বাউল শিল্পী গত ২৪ এপ্রিল সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় ধর্ষক বাবুল মিয়াসহ ৪ জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন, যা সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার মামলা নং-৭১(৪)২০২১।

মামলা দায়েরের প্রায় ৩ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও ধর্ষক বাবুল, বাবুলের সহযোগী এবং ধর্ষণ ঘটনার নেপথ্যের কারিগর কামাল উদ্দিন রাসেলকে গ্রেফতার করতে পারেনি এসএমপির কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

উপরন্তু ঘটনার নেপথ্যের কারিগর কামাল উদ্দিন রাসেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মামলার ভিকটিম নির্যাতিতা ওই নারীর বিরুদ্ধে নানা অশ্লীল প্রচার শুরু করেন এবং তা অব্যাহত রাখেন। বাধ্য হয়ে ওই নারী শিল্পী গত ৩ জুন ঢাকার চকবাজার থানায় একক কামাল উদ্দিন রাসেলের বিরূদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি সাধারন ডায়েরী (নং-১৩২) করেন।

মামলার বাদীনি ধর্ষিতা বলেন, আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর গত বুধবার কোতোয়ালী থানায় যাই। সেখানে যাওয়ার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাবীব আমাকে শুধু আসামিদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার করেননি। যার ফলে কামাল উদ্দিন রাসেল আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একের পর এক মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন। আমি উনার মিথ্যাচারে লজ্জায় সমাজে মুখ দেখাতে পারছি না। এক দিকে ধর্ষণের মামলা করে ঢাকা-সিলেটে যাতায়াত, ওপর দিকে কামাল উদ্দিন রাসেলের অপপ্রচার।

Manual7 Ad Code

পুলিশ ধর্ষক বাবুল ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করতে না পারায় ওই নারী বাউল শিল্পী প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code