Main Menu
শিরোনাম
বিশ্বনাথে গৃহবধূকে মারধর করায় ভাসুর গ্রেপ্তার         কারাবন্দী নেতাকর্মীর বাড়িতে বিএনপি নেতৃবৃন্দ         শাবির ল্যাবে আরো ২৮ জনের করোনা শনাক্ত         কমলগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা         এমসি ছাত্রাবাসে ধর্ষণের প্রতিবাদে বিশ্বনাথে মানববন্ধন         ছাতকে ‘আফজল শাহ চত্বর’ বাস্তবায়নের দাবি         প্রবাসী স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে স্বামীর আত্মহত্যা         শাবির ল্যাবে আরো ২০ জনের করোনা শনাক্ত         ওসমানীর ল্যাবে আরো ১৯ জনের করোনা শনাক্ত         মামাতো ভাইয়ের ‘ধর্ষণে’ মা হলো কিশোরী         সিলেটে একদিনে আরো ৫১ জন শনাক্ত, সুস্থ ৪৬         বালাগঞ্জে পাশবিকতার অভিযোগে প্রবাসী আটক        

অবশেষে বয়স্কভাতার কার্ড পেলেন জরিনা বেগম

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: অবশেষে বয়স্কভাতার কার্ড পেলেন জরিনা বেগম। নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌরশহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হরিয়ামালা গ্রামের বাসিন্দা জরিনা বেগম। স্বামীর ভিটাতেই একটি টিনের চালা নির্মাণ করে সেখানে কোনোমতে জীবনযাপন করছেন। নেই পানীয় জলের সুবিধা ও শৌচাগার। নানা অসুবিধার মধ্য দিয়ে এখানে থেকেই ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবননির্বাহ করছেন তিনি। জরিনা বেগমের বয়স ৭০ বছর। ১০ সন্তানের মা তিনি, সন্তানেরা সবাই কর্মক্ষম। এদের মধ্যে সাত ছেলে ও তিন মেয়ে।

দশ সন্তান থাকার পরও জরিনা বেগমের ভিক্ষাবৃত্তির বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, অনলাইন মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিউজ প্রচার হয়। এ খবরে স্থানীয় কল্যাণী ফাউন্ডেশন এগিয়ে এসে তার ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়।

এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম বিষয়টির গুরুত্ব দিয়ে অসহায় বৃদ্ধাকে দ্রত বয়স্ক ভাতার কার্ডসহ সার্বিক সুবিধা দিতে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান রুহুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইউনুস রহমান, কল্যাণী ফাউন্ডেশনের সভাপতি কল্যাণী হাসানকে সঙ্গে নিয়ে জরিনার হাতে বয়স্কভাতার কার্ড (বই) তুলে দেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইউনুস রহমান বলেন, একজন বৃদ্ধার মৃত্যুতে একটি কার্ড স্থগিত থাকায় ওই কার্ড ২০১৪ সালের এপ্রিল মাস থেকে বর্তমান ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকা রয়েছে। এই বয়স্ক ভাতার বইটিতে বাড়তি টাকাসহ জরিনা বেগমকে দেয়া হয়েছে।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেন, তার নিয়মিত ভাতার সঙ্গে তিন মাস পরপর তিন হাজার টাকা যুক্ত করে দেয়া হবে। এছাড়া তার যাবতীয় বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে কী করা যায় তা আমরা সবই দেখব। ভরণপোষণ আইনে যদি জরিনা বেগম মামলা করেন সে ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনা পয়সায় তাকে আইনগত সহায়তা দেয়া হবে।

জরিনা বেগম কার্ড হাতে পেয়ে বলেন, আমি খুব খুশি, আমাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিয়ে আমার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য।

সন্তানদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি ১০ সন্তানের মা হয়েও ভিক্ষা করি। আমাকে আমার ছেলে বউ ও নাতি-নাতনিরা নানাভাবে অত্যাচার উৎপীড়ন ও গালিগালাজ করে। আমি এসবের বিচার চাই।

জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম বলেন, আমরা জরিনা বেগমকে বয়স্কভাতার কার্ড দিয়েছি। পাঁচ বছর আগে থেকে তার ভাতা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

0Shares





Related News

Comments are Closed