সিলেটে বিএনপির ৫৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, আটক ৮
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীমের বাসার সামনে পুলিশের সাথে ছাত্রদল নেতাকর্মীর সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এসএমপি’র সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বিষ্ণুপদ রায় বাদী হয়ে ৫৫ জনের নামোল্লেখ করে একটি পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করেন। (মামলা নং-৩০/১৭-০৯-১৮) দায়ের করেন। এ ঘটনায় আটক ৮ জনকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার আদালতে পাঠালে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কোতোয়ালী থানার ওসি মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন মামলার ১নং আসামী নগরীর উপশহরের বাসিন্দা সিফাতুল রহমানের ছেলে এখলাছুর রহমান মুন্না (৩৮), ২ নং আসামী গোলাপগঞ্জের আমনিয়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে ফাহিম আহমদ চৌধুরী (২৪), ৩ নং আসামী একই উপজেলার আব্দুর রশিদের ছেলে ফয়ছল ইসলাম (২৫), ৪ নং আসামী বিয়ানীবাজারের ঘোয়ার্দি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে রিমন আহমদ (২৪), ৫নং আসামী ভাদেশ্বর গ্রামের নজির আহমদের ছেলে খালেদ আহমদ (২০), ৬নং আসামী ধারাবহর গ্রামের এনাম আহমদের ছেলে টিপু আহমদ (২২), ৭নং আসামী নগরীর মৌবন এলাকার ইস্কান্দার আলীর ছেলে ফরিদ আলী (২৪), ৮ নং আসামী একই এলাকার ফারুক আহমদের ছেলে তানভীর আহমদ (১৮)। এরা সবাই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত বলে জানায় পুলিশ।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, মামলায় সর্বমোট ৫৫ জন আসামীর মধ্যে প্রায় সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। বাদ যায়নি সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতারাও। মামলার এজাহারে ৯নং আসামী হিসেবে আছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম, আর মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেন আছেন ১০ নম্বরে।
১২ ও ১৩ নং আসামী হিসেবে আছেন জেলা ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ও আজমল বক্ত সাদেক। ছাত্রদলের জেলা ও মহানগরের পদধারী নেতারাও এই মামলার আসামী। অজ্ঞাত হিসেবে উল্লেখ আছে ‘আরো অনেকে’।
এর আগে গত রোববার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের বাসার সামনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশের কাজে বাধা দিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় বলে দাবি পুলিশের। পুলিশ জানায়, সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাঙচুরসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করা হয়। জব্দ করা হয় ৪টি মোটর সাইকেল ও ৩টি পাসপোর্ট। সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১২ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। তবে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতারা পুলিশের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাকে পুলিশের সাজানো বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এদিকে হামলার কোন ঘটনা ঘটেনি দাবী করে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম বলেন- হয়রানী করার জন্য পুলিশ এ ধরনের ঘটনা সাজাচ্ছে। এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি।
তবে বিএনপি নেতা এমএ হক বলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মায়ের মৃত্যুতে রোববার বিকেলে দোয়া মাহফিল ছিলো। দোয়া শেষে বিএনপির সিনিয়র নেতারা শামীমের বাসায় যান, ছাত্রদলের কয়েকজন বাসার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, এসময় হঠাৎ পুলিশ এসে ৭ নেতা কর্মীকে আটক করে নিয়ে যায়।
Related News
১১ দলীয় ঐক্যের দ্বিতীয় লংমার্চের তারিখ ঘোষণা, দাবিতে নতুন দফা যোগ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ছয় দফা দাবি এখন রূপান্তরিতRead More
জামিনে মুক্ত বিদিশা সিদ্দিক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রাক্তনRead More



Comments are Closed