Main Menu

বিশ্বনাথে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

Manual6 Ad Code

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। ঈদকে সামনে রেখে এখন কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন উপজেলার সব বয়সের লোকজন। রমজানের প্রথম থেকেই আলোক সজ্জাসহ আকর্ষনীয় সাজে সজ্জিত করা হয়েছে উপজেলা সদরের বিপনী বিতানগুলো। এবার এলাকায় প্রবাসীর সংখ্যাও বেশি। তাই রমজানের শেষের দিকে পুরোদমে জমে উঠবে ঈদ বাজার এমনটাই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রতিদিনই দুর-দূরান্ত ও গ্রামাঞ্চল থেকে উপজেলা সদরে ক্রেতারা আসছেন নিজের ও পরিবারের পছন্দের কেনা-কাটার জন্যে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে বিপনী বিতান গুলোতে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের ভীড়। সন্ধ্যার পরও বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতার ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। ঈদকে সামনে রেখে সময়ের আগেই কেনা-কাটা সম্পন্ন করতে মার্কেটমুখী হয়েছেন অনেকেই। প্রতিদিনই বেলা বাড়ার সাথে-সাথে ক্রেতাদের ভীড় বাড়তে থাকে উপজেলা শহরে। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিপনীবিতান গুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষনীয়। তবে নিন্ম আয়ের মানুষ গুলো অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে কেনা-কাটা করতে ভীড় জমাচ্ছেন উপজেলা সদরের পুরান বাজার ও নতুন বাজার ফুটপাতের দোকাল গুলোতে। মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের মধ্যে নারী, শিশু ও তরুণী ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশ লক্ষনীয়।
উপজেলা সদরের আল হেলা শপিং সিটি, বিলকিছ মার্কেট, মন্নান মার্কেট, আল আকছা মার্কেট, জবান উল্লা শপিং কমপ্লেক্স, মার্কেটগুলো গতকাল শনিবার বিকেলে ঘুরে বিভিন্ন ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এবারের ঈদে তরুণীদের পছন্দের শীর্ষ রয়েছে- রাক্ষস কন্যা, কটকটি, বজ্রমালা, রাই কিশোরী, ঝিনুকমালা, ঝিলিক, সারা-রা, জলপরি ও মিলকির রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। ছেলেদের ভাংচুর, স্পট, জিন্স ও গেবাডিনের ফুল প্যান্ট এবং টি-শার্ট, ডিজাইন সর্ট পাঞ্জাবী এবং চায়না টি-শার্ট বেশী বিক্রি হচ্ছে। এবারের ঈদে বাহারী নামে বিক্রি হচ্ছে দেশী-বিদেশী শাড়ী।
এর মধ্যে মুক্তামালা, সাম্পানওয়ালা, রূপবান শাড়ীর চাহিদা এখানে অনেকটাই বেশী। কসমেটিকস ও জুতার দোকানেও ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ করা গেছে। লাক্সারী, গ্রামীন, পুলটার, কটকটি নামের জুতার চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি চায়না ও ভারতীয় জুতাও বিক্রি হচ্ছে দোকান গুলোতে। সব মিলিয়ে বেশ জমে উঠেছে বিশ্বনাথের ঈদের বাজার।
জনৈক দোকান মালিক বলেন, অনেক ক্রেতা মার্কেটে এসেছেন। রমজানের শেষের দিকে পুরোদমে জমে উঠবে ঈদ বাজার।
জনৈক দোকান পরিচালক বলেন, ক্রেতাদের মধ্যে তরুনী-শিশুদের সংখ্যা বেশি রয়েছে বলে তিনি জানান।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code