Main Menu

জয়পুরহাট রেলস্টেশনে সমস্যা নিয়ে সেবাদানের চেষ্টা

মোঃ অালী হাসান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাট জেলা শহরের রেলস্টেশনে যাত্রী সেবার মান একেবারেই কম। চাহিদার তুলনায় ট্রেনের আসন সংখ্যা কম হওয়ায় টিকেট কেটেও সিট পান না অধিকাংশ যাত্রী। তাই যাত্রীদের পরিবার পরিজন নিয়ে ভোগান্তির মধ্যেই ট্রেনে যাতায়াত করতে হয় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।
স্টেশন সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত জয়পুরহাট জেলা শহরের এই রেল স্টেশন থেকে প্রতিদিন ট্রেন যোগে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, নীলফামারি, চিলাহাটিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে হাজার হাজার ট্রেন যাত্রী। অথচ জয়পুরহাট জেলার জন্য ট্রেনের আসন সংখ্যা একেবারেই কম। ঢাকার জন্য ৩টি ট্রেন, দ্রুতযান, নীলসাগর, একতা ট্রেনের জয়পুরহাটের জন্য ১শটি আসন বরাদ্ধ থাকলেও এর জন্য টিকেট কাটছে ৪শ থেকে ৫শ জন যাত্রী। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানে যাতায়াতের তিতুমীর, রুপসা, বরেন্দ্র, উত্তরা, রকেট মেইল ট্রেন গুলোরও একই অবস্থা। এতে করে প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারন যাত্রীরা। এছাড়াও রেলস্টেশনে পারাপারের জন্য প্লাটফর্মের উত্তর পার্শ্বে একমাত্র ওভারব্রীজ থাকলেও ব্যবহার তেমন চোখে পড়ে না, সন্ধ্যা হলেই যাত্রীদের চলাচল না থাকায় ভুতুরে পরিবেশে নেশাখোরদের নিরাপদ স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্টেশনে ছোট একটি বিশ্রামাগার থাকলেও বেশিরভাগ সময় বন্ধ এবং অপরিস্কার থাকে।
রেলওয়ের সরকারী ভাবে কোন বাথরুম নেই। রোগীসহ অন্যান্য যাত্রীদের ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে ও প্লাটফর্মে বসে থাকতে হয়। ট্রেনে গাদিগাদি করে ওঠার সময় মলম পার্টির মোবাইল ছিনতাই ও পকেট মারার ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত।
জয়পুরহাট রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার শতকত আলী এসব যাত্রীদের সমস্যার
কথা স্বীকার করে বলেন, আসন সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য রেলের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে আবেদন জানানো হয়েছে। প্লাটফর্মে সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার নির্মাণ কাজ চলছে এবং ছিনতাইকারী, মলম পার্টি ও পকেট মারদের চিহ্নিত করে ধরার জন্য রেলওয়ে প্লাটফর্মের জিআরপি ক্যাম্পের পুলিশকে বলা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed