Main Menu

নারায়ণগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভোরে নারায়ণগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।

নিহতরা হলেন মনিরুজ্জামান শাহীন ওরফে বন্দুক শাহীন (৫০) ও মো. শাহীন (২৭)।

নারায়ণগঞ্জ শহরে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মনিরুজ্জামান শাহীন ওরফে বন্দুক শাহীন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন বলে পুলিশ দাবি করছে।

Manual5 Ad Code

শুক্রবার ভোরে শহরের গলাচিপা গোয়ালিয়া খাল এলাকায় কথিত এই বন্দুকযুদ্ধ হয়।

পুলিশ বলছে, নিহত শাহীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১২টির বেশি মামলা রয়েছে।

পুলিশের দাবি, বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) দুজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ৪টি গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে শাহীনকে গ্রেপ্তার করতে অভিযানে যায় ডিবির একটি দল। শাহীনের বাড়ির সামনে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তার সহযোগীরা। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে শাহীন নিহত হন।

Manual6 Ad Code

পুলিশ জানায়, বন্দুকযুদ্ধে ডিবির ওসি মাহবুবুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মিজান আহত হয়েছেন।

এদিকে, শুক্রবার ভোর রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ঘাট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মো. শাহীন (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এসময় একটি তলোয়ার, রামদা, বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।

নিহত শাহীন কুষ্টিয়া সদর থানার নূরপুর গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

গত রবিবার কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় কালীগঙ্গা নদী থেকে রাকিবুল ইসলামের (৩২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দুই মাস আগে মালয়েশিয়া থেকে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি।

রাকিবুল কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর স্কুলপাড়া গ্রামের মন্টু বিশ্বাসের ছেলে। লাশ উদ্ধারের পর আটজনকে আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মন্টু। সেই মামলায় গত বুধবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল শাহীনকে। পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাকিবুলের স্ত্রী নাঈমা সুলতানা তিশাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল খালেক জানান, বন্দুকযুদ্ধে তাদের চার সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code