Main Menu

সিলেটে দুটি অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মামলা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্ট ও রংমহল টাওয়ার সংলগ্ন অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি ও সাধারণ শ্রমিকদের প্রাণ নাশের হুমকির বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ২০ মে সিলেট জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং চট্ট-৭০৭ এর সহ সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উলে­খ ও ১০/১২জনকে অজ্ঞাত আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন। থানায় মামলা নং ৩৪, তাং ২০/০৫/২০১৭ ইংরেজি।
মামলায় এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, টুকেরবাজারের গৌরিপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের পুত্র সালমান আহমদ, জাঙ্গাইলের মৃত আব্দুল হাসিমের পুত্র এমাদ, টুকেরগাওয়ের নাছির উদ্দিনের পুত্র তোফায়েল আহমদ, মৃত আব্দুল গণির পুত্র আব্দুল হামিদ, মৃত রুসন আলীর পুত্র মো. সুন্দর আলী, আব্দুল হান্নানের পুত্র হাসনু, কুমারগাঁও এলাকার মৃত ডমাই মিয়ার পুত্র আব্দুর রব, টুকের বাজার মিরের গাও গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের পুত্র ইমাম উদ্দিন, শিবের বাজার পিটাগঞ্জ গ্রামের মৃত সাহেব আলীর পুত্র লিটন আহমদ আরমান, টুলটিকর গ্রামের মৃত ছৈদ মিয়ার পুত্র দুলাল মিয়া, মৃত সুনা মিয়ার পুত্র ছাব্বির মিয়া, বোরহানাবাদ কুশিঘাট এলাকার লালু মিয়ার পুত্র আজাদ মিয়া, নোয়াগাও সাদিপুর গ্রামের সোনা মিয়ার পুত্র বাবুল মিয়া, ইসলামপুর গ্রামের মৃত আনফর আলীর পুত্র লায়েক আহমদ, হাজারীবাগ এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের পুত্র মো. আব্দুল জব্বার, হযরত আলীর পুত্র মর্তুজ আলী। এছাড়াও ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়।
এজাহারে উলে­খ করা হয়, সিলেট জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক শ্রমিক সংগঠন। এ সংগঠন অটোরিক্সা সিএনজি শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করে। শ্রমিকদের দাবী দাওয়া পূরণে এ ইউনিয়ন বন্ধ পরিকর। এ সংগঠন পরিচালনার জন্য সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক বিভিন্ন শাখা পয়েন্টে উপ-পরিষদ গঠন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় কোর্ট পয়েন্ট ও বন্দরবাজার রংমহল টাওয়ার সংলগ্ন স্থানে একটি উপপরিষদ বিদ্যমান আছে। কিন্তু মামলায় এজাহারভুক্ত আসামীগণ গায়ের জোরে এ স্ট্যান্ডগুলো দখল করে আছে। সাধারণ শ্রমিকদের জিম্মি করে তারা চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের উপর নানাভাবে হয়রাণী করে। এতে শ্রমিকরা প্রাণের ভয়ে চাঁদা দেয়। এজাহারে আরো উলে­খ করা হয়, আসামীগণ জোরপূর্বক ঐ স্ট্যান্ডগুলো দখল করে ৭০৭ এর নামে ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বেআইনিভাবে ব্যবহার করে ও জাল রশিদ তৈরী করে প্রায় ১৮ মাস যাবৎ শ্রমিকদের চুষে খাচ্ছে। ইচ্ছেমতো শ্রমিকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে। জোরে, বলে, কৌশলে, ভয় দেখিয়ে যে উপায়েই হোক আসামীরা তাদের চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা আদায়ে শ্রমিকরা বাঁধা দিলে তাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। চাঁদা আদায়ে শ্রমিকরা বাঁধা দেওয়ায় গত ১০ মে বেলা ১১টায় কোর্ট পয়েন্ট ও রংমহল টাওয়ার সংলগ্ন স্থানে দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। তাদের সামনে কেউ আসলে তাদের হত্যার হুমকি পর্যন্ত দেয়। আসামীগণের এহেন পরিস্থিতিতে যে কোন সময় বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

 

Share





Related News

Comments are Closed