Main Menu

বিয়ানীবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১০

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম : তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিলেটের বিয়ানীবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার নাম মুহিদুর রহমান মিন্টু (৩৮)। তিনি উপজেলার মুল্লাপুর ইউনিয়নের পাতন ছওয়াব আলীর পুত্র। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ১০জন।
রোববার (১১ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মুল্লাপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদের বাল্ব লাগানোকে কেন্দ্র করে রাত ১০টার দিকে উপজেলার মুল্লাপুর ইউনিয়নের পাতন গ্রামের রেজা ও নোমানের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ১০জন আহত হয়। আহতরা হলো মিন্টু (৩৮), রেজা (২৮), শাহীন (৩৮), শায়দুল (২২), শাবুল (৩৩), রোমান (৩৫) ও আজিজ (৩৯)। অন্য ৩জনের নাম জানা যায়নি। তাদেরকে বিয়ানীবাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় মিন্টু ও রেজাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় পথিমধ্যে মিন্টু মারা যান। রেজা বর্তমানে সিলেটে চিকিৎসাধীন। মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত রেজার অবস্থাও আশংকাজনক।
মুহিদুর রহমান মিন্টুকে হত্যার বিষয়ে তার চাচাতো ভাই জুনেদ আহমদ বলেন, পারভেজ, কামাল, শাবুলসহ বেশ কয়েক জন সন্ত্রাসী লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আমার চাচাতো ভাইকে (মিন্টু) ঘটনাস্থলেই খুন করে পালিয়ে যায়। তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ বহিরাগত কিছু ক্যাডার নিয়ে তাদের উপর আক্রমন চালায়। তিনি এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেছেন।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত মুহিদুল ইসলাম মিন্টুর ভাই শিক্ষক মাশুক আহমদ কয়েকজনকে আসামী করে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে এক যুবককে আটক করেছে। আটক যুবকের নাম আমিনুল ইসলাম তারেক (২২)।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত মিন্টুর ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

 

 

 

Share





Related News

Comments are Closed