Main Menu

কুঁড়ানী শাক বিক্রি করে সংসার চলে ওদের

Manual3 Ad Code

ময়নুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডোমারে কুঁড়ানী শাক বিক্রি করে সংসার চালায় মফিজার রহমান ও তার স্ত্রী জাহানারা বেগম। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ডোমার বাজারে কুঁড়ানী শাক বিক্রি করে চলছে ৮ সদস্যের ওদের পরিবার।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের উত্তর ধর্মপাল গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দিনের ছেলে মফিজার রহমান। তার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর নাম ফাতেমা বেগম গৃহিনী। তার এক ছেলে ও ২ মেয়ে। দ্বিতীয় স্ত্রী জাহানারা বেগম তার ব্যবসায়ীক সঙ্গী। তার এক ছেলে এক মেয়ে।
প্রতিদিন সকালে দ্বিতীয় স্ত্রী জাহানারা বেগমকে নিয়ে বাই সাইকেলে চড়ে বেড়িয়ে পড়েন গ্রামে গ্রামে। জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার বিল/ডোবার ধারে এবং বিভিন্ন জঙ্গলের ধার হতে তারা বিভিন্ন ধরনের কুঁড়ানী শাক সংগ্রহ করে । এ সকল কুঁড়ানী শাকের মধ্যে রয়েছে, কচুশাক, ঢেঁকিশাক ও রসুনশাক। শাক সংগ্রহের পর আঠি বেঁধে ডোমার বাজারে বিক্রি করে। কচুশাকের বেশীরভাগ ক্রেতাই হচ্ছে হোটেল-রেস্তোরা।
মফিজার রহমান জানান, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে আমি শাক বিক্রি করি। ব্যবসা করতে গেলে পুঁজির প্রয়োজন হয় কিন্তু আমার এ ব্যবসায় কোন পুজি লাগে না। তাই আমরা স্বামী/স্ত্রী দুজনেই এ ব্যবসায় নিয়োজিত রয়েছি। তবে ঝড়-বৃষ্টির ৩ মাস সময় বসে থাকতে হয়। এ ছাড়া এসব শাক সব সময় পাওয়া যায় না। এ সময় মানুষের বাড়ীতে মজুরী করে সংসার চালাতে হয়। আমার এ শাক মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। শাক গুলো মানব শরীরের জন্য খুবই উপকারী হওয়ায় শহরের ক্রেতারা এ শাক গুলো বেশী কিনে। শাক বিক্রি করে প্রতিদিন তার আয় হয় ৭ থেকে ৮শত টাকা। এ টাকা দিয়ে চলে ৮ সদস্যের সংসার।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code