Main Menu

পিত্তথলিতে পাথর নিয়ে হাসপাতালে, কিডনি উধাও!

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নাটোরে জনসেবা নামে বেসরকারি একটি ক্লিনিকে অপারেশনের পর রোগীর একটি কিডনি গায়েব করার অভিযোগে এক চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। পিত্তথলিতে পাথর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হবার পর অপারেশন করা হয় তার। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে জানা যায় তার শরীরের ডানপাশের কিডনিটা নেই। এ ঘটনায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকার ক্লিনিকটি থেকে চিকিৎসক এম এ হান্নানকে আটক করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক ও স্টাফরা পলাতক রয়েছে।

আটক চিকিৎসক এম এ হান্নান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী সার্জন। তিনি নাটোরের জনসেবা ক্লিনিকে খণ্ডকালীন চাকরি করেন।

নাটোর সদর থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ছোট চৌগ্রাম গ্রামের ফজলু বিশ্বাসের স্ত্রী আসমা বেগম পেটের ব্যথায় জনসেবা হাসপাতালে ভর্তি হন। তার পিত্তথলিতে পাথরের কথা বলে অপারেশন করতে হবে বলে জানায় হাসপাতালের চিকিৎসক। এর প্রায় এক মাস পর রোগীর অপারেশন করানো হয়।

অপারেশনের পর রোগী আরো অসুস্থ হয়ে পরলে পুনরায় রোগীর পরীক্ষা ওই হাসপাতালেই করানো হয়। সেখান থেকে তারা জানতে পারে রোগীর শরীরের ডান পাশের কিডনিটি নেই। এর পর থেকে রোগীর স্বজনরা বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর পরীক্ষা করে জানতে পারেন তার শরীরের একটি কিডনি নেই।

বিষয়টি জনসেবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা টাল-বাহানা করতে থাকে। এরই জের ধরে শুক্রবার দুপুরে রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে গেলে হাসপাতালের পরিচালকসহ বেশ কয়েকজন স্টাফ সটকে পড়েন। পরে রোগীর স্বজন পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক এম এ হান্নানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে আটক হাসপাতালের খণ্ডকালীন চিকিৎসক এম এ হান্নান বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে তেমন অবগত নই। তাছাড়া রোগী আমার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেয়নি। রোগী যাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিয়েছে সেটা তাদের কোনো কাজ হতে পারে।’

Share





Related News

Comments are Closed