Main Menu

নবীগঞ্জে হাইওয়ে পুলিশের উপস্থিতেই চলছে সিএনজি অটোরিকসা

ছনি চৌধুরী, নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবাধে চলছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা। মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশার চাকা ঘুরলেই যেন ভাগ্য খুলে যায় হাইওয়ে পুলিশের। মহাসড়কে চালানো যায় তিন চাকার যানবাহন এমনটাই জানিয়েছেন চালকরা। মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তে¡ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জে হাইওয়ে পুলিশের সামনেই অবাধে চলছে সিএনজি অটোরিকশা। প্রতিদিনই মহাসড়কের এমন দৃশ্য দেখা যায়। সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা নিষিদ্ধ করায় জনভোগান্তি হলেও সরকার চাপের কাছে নতস্বীকার করেনি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় নিষিদ্ধ এসব যান চলাচল বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু সরকারে উচ্চ কর্তারা যখন বেশি চাঁপ প্রয়োগ করেন, তখনই কিছু দিন লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিএনজি অটোরিকশা আটক ও মামলা দেওয়া হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দাবি, মহাসড়কে এসব যান চলাচল ৯০ শতাংশ কমেছে। কিন্তু মহাসড়কে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার একাধিক অংশে দেখা যায়, আগের মতোই চলছে সিএনজি অটোরিকশা। মহাসড়কের কোন কোন এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের সামনেই সিএনজি অটোরিকশা চলতে দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার রুস্তুমপুর টোল-প্লাজার নিকটে গাড়ি থামিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের একদল সদস্যকে। এসময় হাইওয়ে পুলিশের সামনেই প্রায় ৩০টি সিএনজি অটোরিকশা উভয় দিক থেকে যেতে আসতে দেখা যায়। এতে প্রশ্ন দেখা দেয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে, দাঁড়িয়ে থাকাটা কি লোক দেখানোর জন্য ?
সূত্রে জানা গেছে, গোপন টোকেনের মাধ্যমে চালকদের সিএনজি চলাচলের সুযোগ দেয় হাইওয়ে পুলিশ। এটা চাদাবাজির অন্যতম কৌশল। প্রতি মাসে যে চালকরা হাইওয়ে পুলিশকে চাঁদা দেয় হাইওয়ে পুলিশ ওইসব চালককে একটি টোকেন দিয়ে দেয়। এমন অপকৌশলে দিনের পর দিন চালকদের কাছ থেকে হাইওয়ে পুলিশ হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। হাইওয়ে পুলিশের এমন চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

Share





Related News

Comments are Closed