Main Menu

সুরমা নদীর ভাঙনে ১০টি পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি


বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: বিশ্বনাথে সুরম নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে একটি গ্রামের ১০টি পরিবার। আর এ সংখ্যা দ্রত বাড়ছে। নিজ বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় পুরো গ্রামের লোকজন চরম আতংকের মধ্যে রয়েছেন। মাথাগোজাঁর ঠাঁই হারিয়ে এখন গৃহহারা হচ্ছেন অনেক পরিবার। নদী ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো নিয়ে গৃহকর্তারা পড়েছেন চরম বিপাকে। এসব পরিবারের কথা চিন্তা করে জরুরী ভিত্তিতে নদী ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এলাকার লোকজন।
এদিকে, নদী ভাঙনের খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে এলাকা পরিদর্শন করেছেন ইউএনও অমিতাভ পরাগ তালুকদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের মাহতাবপুর গ্রামের সুরমা নদীর তীরে ভাঙন দেখা দেয় গত দুই তিন দিন ধরে। নদী ভাঙ্গনে মাহতাবপুর গ্রামের ১০টি পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এলাকায় নদী ভাঙন রোধে ব্লক বসানো হয়। বর্তমানে এই ব্লকের পূর্বদিকে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। অতিদ্রত ভাঙন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে অনেকের বসতভিটা ভাঙনের ফলে নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে।
আছকর আলী, বিলাল উদ্দিন, গাবরু মিয়া, আবদুর নূর, মোহাম্মদ আলী, শহিদ মিয়া, রুশন আলী, শামছুল হক, জিয়াউল হকসহ প্রায় ১০টি পরিবার নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
সোমবার বিকেলে নদী ভাঙন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদী ভাঙনের ফলে বেশ কয়েকটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। তাদের আর্তনাদে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সংবাদকর্মী এসেছেন শুনে এলাকার শতশত মানুষ জড়ো হতে দেখা যায়। এসময় তারা নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজনকে শান্তনা দেয়ার চেষ্ঠা করছেন।
নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোমবার পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের খোঁজ খবর নেন। পরিদর্শনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবক একেএম দুলাল, স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল মিয়া, এমপি ইয়াহইয়া চৌধুরীর একান্ত সচিব আবু বক্কর প্রমুখ।
আবদুর নূর বলেন, নদী ভাঙনে পরিবার নিয়ে গত দুইদিন ধরে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছি। গ্রামের বেশ কয়েক পরিবার নদী ভাঙনের কবলে পড়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিতাভ পরাগ তালুকদার নদীর ভাঙন পরিদর্শনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed