Main Menu

সিলেটে হিন্দু পরিবারের কোটি টাকার ভুমি দখলের চেষ্টা

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম : সিলেট নগরীর মিরাবাজারে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের কোটি টাকার পৈত্রিক বসতভুমি জাল নামজারির মাধ্যমে একটি ভূমিখেকো চক্র জবরদখল করার অপচেষ্টার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার মিরাবাজারের আগপাড়ার মৌসুমী-১৯ নম্বর বসতবাড়ির মালিক মনোজ দে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন।
সম্মেলনে মনোজ দে জানান, মিরাবাজারের আগপাড়ার মৌসুমী-১৯ নম্বর বাসাসহ ১০৭২৮ নম্বর দাগের মোট ৬৬ শতক ভূমির মালিক ছিলেন তার বাবা বিমল কান্তি দে, কাকা বিভ’তি ভুষণ দে ও তার ঠাকুর মা রাজি বালা দে। ১৯৬০ সালে সিলেট সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে সম্পাদিত ৫৭৮৭/৬০ নম্বর দলিলে তার বাবা , কাকা ও ঠাকুর মা ১৭ শতক জমি বিক্রি করেন মৌলভী আব্দুর রহমান ও মৌলভী শেখ আব্দুল মুতলিবের কাছে। পরে ঠাকুর মা মারা গেলে বাকি ৪৯ শতক জমির মালিক হন তার বাবা বিমল কান্তি দে ও তার কাকা। পরে ৫৭৮৭/৬০ নম্বও দলিল ও সদর অ্যাসিল্যান্ডের ১১৯৯/৭৫-৭৬ মকদ্দমামূলে আব্দুর রহমান ও আব্দুল মুতলিব আলাদা খতিয়ানে এই ১৭ শতক জমি নামজারি করে নেন। পরে ১৯৬৬ সালে একই দলিলের ক্রেতা আব্দুর রহমান ৭১৯৭/৬৬ নম্বর দলিলে তার ক্রয়কৃত সাড়ে ৮ শতক জমি আব্দুল মুতলিবের কাছে বিক্রি করে দখল ত্যাগী হন। তখন এই দাগে আব্দুল মুতলিবের জমির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ শতক। বাকি ৪৯ শতক জমি থেকে ১৯৭৬ সালে বিমল কান্তি দে এর অংশ থেকে ১৮ শতক ৪০ পয়েন্ট, কাকা বিভ’তি ভুষণের অংশ থেকে ৬০ পয়েন্ট মোট ১৯ শতক জমি ১২১৯৮/৭৬ নম্বর দলিলে মুহাম্মদ ফজলুর রহমানের কাছে বিক্রি করেন। এ বিক্রির পরেও ওই দাগে মনোজ দে’র কাকার ২৪ শতক ৯২ পয়েন্ট ও তার বাবার ৬ শতক মিলে মোট ৮ শতক জমি বাকি থাকে। পৈত্রিক সূত্রে এই ৮ শতক জমিতে ভোগ দখল করছিলেন মনোজ দে। স¤প্রতি একটি অবৈধ নামজারি করে মিরাবাজারের আব্দুল মুতলিবের ছেলে আমিনুল, রেজাউল করিম, শামসুল আলম, মনজুর আলীসহ কিছুলোক জোরপূর্বক দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। এ ঘটনায় মনোজ দে বাদি হয়ে সদর সেটেলমেন্ট অফিসে ৩১ ধারা মোতাবেক মামলা ও সিলেট সহকারী কমিশনার (ভ’মি) আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দুটি বিচারাধীন। নামজারী ও জরিপের বিরুদ্দে আপীর আপত্তি করায় আমিনুল হক ও তার সহযোগীরা মনোজ দে কে নানাভাবে হুমকি দমকি দিযে দেশছাড়া করার এমনকি খুন ও গুম করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগে প্রকাশ।
মনোজ দে তার পরিবারের নিরাপত্তা ও পৈত্রিক ভূমি রক্ষায় প্রশাসনসহ সংশিষ্ট সকল মহলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed