Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে করোনায় আরো ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭         সিলেটে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, বৃদ্ধ খুন         নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ         জৈন্তাপুরে হিন্দু-বৈদ্য খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ         বিশ্বনাথে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতৃবৃন্দের মধ্যে ফরম বিতরন         বিশ্বনাথে সাইফুলের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল         ছাতকে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল         ছাতকে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার         বিশ্বনাথে দুই হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাইফুল গ্রেপ্তার         কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু         গোলাপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার         শান্তিগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু        

এ প্লাস পাওয়া পাপিয়ার লেখাপড়া কি বন্ধ হয়ে যাবে?

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ক্যান্সারে বাবা মারা গেছে ২০১০ সালে। তখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে পাপিয়া। মা পরের বাড়িতে কাজ করে উপার্জিত আয়ে চলে মা-মেয়ের সংসার। শত কষ্ট আর অভাব অনটনের মধ্যেও স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শিখবে। হাজারো অভাব আর বাধার মধ্যে সে লেখাপড়া চালিয়ে গেছে।

এবার পাপিয়া ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ভাতঘরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ প্লাস পেয়েছে। ইচ্ছা আর আন্তরিকতা থাকলে যে কোন কঠিন কাজেই যে সফলতা পাওয়া যায় তারই আদর্শ করনীয় এখন প্রত্যন্ত পাড়া গায়ের এই মেয়ে পাপিয়া।

সে উপজলার ৭নং রায়গ্রাম ইউনিয়নের জটারপাড়া গ্রামের মৃত জালল উদ্দিনের একমাত্র মেয়ে। পাপিয়া দারিদ্রকে হার মানিয়ে এ প্লাস পাওয়া খুশি তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গ্রামবাসি। গত বুধবার তার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে সবার মুখে মুখে এখন পাপিয়ার নাম। কিন্তু পাপিয়ার মা মমেনা বেগমের শঙ্কা হয়তো অর্থের অভাবে মেয়ের উচ্চ শিক্ষার দরজা এবার বন্ধ হয়ে যাবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, পাপিয়া অনেক মেধাবি। সে নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকতো। তার লেখাপড়ার খরচ স্কুল থেকে সহযোগীতা করা হতো। তাকে একটু সাহায্য করা হলেই সে একদিন দেশের অনেক বড় কিছু করে দেখাতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।

পাপিয়ার মা মমেনা বেগম জানান, খুব কষ্ট করে মেয়ে লেখা পড়া শিখিয়েছি। অর্থের অভাবে ঠিক মতো পড়াতে পারিনি। আমার দুই ছেলে আলাদা আমি পরের বাড়িতে কাজ করে মেয়েকে এ পর্যন্ত লেখা পড়া শিখিয়েছি। এখন তো কলেজে ভর্তি করাতে হলে অনেক টাকা দরকার কিন্তু এখন আর আমার পক্ষে সম্ভব না।

0Shares





Related News

Comments are Closed