সন্তানের মুখে মায়ের গল্প
মুহাম্মাদ শরীফুজ্জামান: ‘মা’ একটি ছোট্ট শব্দ। অথচ এই শব্দটির ভেতরেই যেন লুকিয়ে আছে এক বিশাল পৃথিবী। মা শুধু একজন মানুষ নন। তিনি আমাদের সবচেয়ে আপন অনুভূতি, সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় এবং নিঃশর্ত ভালোবাসার নাম। ‘মা’ শব্দটি উচ্চারণ করলেই মনের মধ্যে এক ধরনের উষ্ণতা ফিরে আসে। মনে হয় পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ আছেন যার কাছে নিজের সব কষ্ট, ভয় আর অভিমান নির্দ্বিধায় বলা যায়।
শৈশব থেকে বড় হয়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে মায়ের উপস্থিতি আমাদের ঘিরে থাকে। কখনো তিনি কাছে থেকে হাত ধরে পথ দেখান, কখনো দূরে থেকেও সন্তানের জন্য ভাবেন। সন্তানের মুখের একটুখানি হাসি তার ক্লান্তি ভুলিয়ে দিতে পারে। আবার সন্তানের সামান্য কষ্টও তার মনে গভীরে দাগ কাটে। নিজের প্রয়োজনের কথা না ভেবে সন্তানের প্রয়োজনকে সামনে রাখাই যেন মায়ের স্বাভাবিক অভ্যাস।
মা কখনো নরম আশ্রয়, কখনো কঠিন সময়ে সবচেয়ে বড় শক্তি। জীবনের নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে মায়ের একটি কথাই অনেক সময় সাহস জোগায়। তার কাছে ফিরে গেলে মনে হয় পৃথিবীটা এখনও নিরাপদ। এই অনুভূতির কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই। ভাষা দিয়ে মায়ের ভালোবাসার পুরোটা প্রকাশ করাও সম্ভব নয়।
সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে একজন মা যে শারীরিক ও মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যান তার পরিসর অনেক বড়। জন্মের পরও সেই দায়িত্ব শেষ হয় না। রাত জেগে থাকা, অসুস্থতায় পাশে বসে থাকা, সন্তানের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করা, নিজের ইচ্ছা অনেক সময় পিছিয়ে দেওয়া। এসবের মধ্য দিয়েই একজন মা ধীরে ধীরে সন্তানের জীবনকে গড়ে তোলেন।
তাই মা কোনো গল্পের চরিত্র নন। তিনি নিজেই একটি দীর্ঘ গল্প। সেই গল্পে আছে অপেক্ষা, কষ্ট, ত্যাগ, আনন্দ এবং অগণিত ছোট ছোট স্মৃতি। সন্তানের বয়স যত বাড়ে, মায়ের দেওয়া ভালোবাসার গভীরতাও তত নতুন করে বোঝা যায়। জীবনের ব্যস্ততায় আমরা অনেক কিছু ভুলে যাই। কিন্তু মায়ের কথা মনে পড়লে শৈশবের অনেক দরজা আবার খুলে যায়। সেই ফিরে পাওয়ার অনুভূতির সবচেয়ে সহজ, সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে পরিচিত নাম হলো মা।
এখানে একটি কথা উল্লেখ্য, বিজ্ঞান ও সাহিত্য দুটি ভিন্ন ধারা হলেও মা ও সন্তানের সম্পর্কের জায়গায় এসে তারা যেন একই সুরে কথা বলে। বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত ‘ফিটাল মাইক্রোকাইমেরিজম’ (Fetal Microchimerism) তথ্যটি সাহিত্যের চিরন্তন নাড়ির টানকে এক অনবদ্য প্রামাণিক রূপ দিয়েছে। বিজ্ঞান আমাদের দেখায় সন্তান জন্ম নিয়ে বড় হয়ে ঘর ছাড়লেও তার কিছু জীবন্ত কোষ চিরদিনের জন্য মায়ের হৃদপিণ্ড, রক্ত ও মস্তিষ্কে রয়ে যায়। কারণ গর্ভাবস্থায় শিশুর কিছু কোষ প্লাসেন্টা বা নাড়ি পেরিয়ে মায়ের শরীরে ঢুকে পড়ে।
এই বৈজ্ঞানিক সত্য সাহিত্যের আবেগীয় ধারণাকে এক শক্ত ভিত্তি দেয় অদৃশ্য নাড়ির টান, নীরব সুরক্ষাকর্তা ও বিচ্ছেদহীন একাত্মতাকে। দূরদেশে থাকা সন্তানের বিপদে মায়ের বুক কেঁপে ওঠাকে সাহিত্যে যে ‘ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়’ বলা হয় তা মূলত মায়ের মস্তিষ্কে ধুকপুক করতে থাকা সন্তানের কোষেরই স্পন্দন। অবশ্য চিরাচরিত সাহিত্যে মাকে আশ্রয়দাতা বলা হলেও বিজ্ঞান দেখায় সন্তানও মায়ের অজান্তে তার শরীর রক্ষার এক নীরব ঢাল। সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বীরপুরুষ’ কবিতাটি এখানে উল্লেখযোগ্য। একটি ছোট্ট শিশুর অপূর্ব কল্পনার জগৎ এবং তার মায়ের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ। শিশুটি কল্পনা করে সে ও তার মা কোনো এক অজানা অচেনা দেশে যাত্রা করেছে। হঠাৎ পথিমধ্যে ডাকাতদের আক্রমণে মা যখন ভয়ে আতঙ্কিত তখন শিশুটি একাই বীরের মতো লড়াই করে ডাকাতদের পরাজিত করে মাকে রক্ষা করে।
তবে সন্তান পৃথিবীর যেখানেই যাক মায়ের শরীরে রয়ে যায় তার চিরস্থায়ী স্বাক্ষর। বিশেষত বিজ্ঞান যেখানে রক্ত-কোষের হিসাব দেয়, সাহিত্য সেখানে খোঁজে আত্মিক অমরত্ব। মা ও সন্তান আলাদা দুটো মানুষ হলেও শারীরবৃত্তীয় ও মানসিকভাবে তারা চিরকাল এক ও অখণ্ড।
এখানে যাঁদের মমতাময়ী মায়ের গল্প স্থান পেয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজনীতিক, শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাঁরা তাঁদের মাকে ঘিরে শৈশব, কৈশোর ও জীবনের নানা সময়ের স্মৃতি তুলে ধরেছেন। প্রতিটি স্মৃতিচারণের পরতে পরতে ফুটে উঠেছে সন্তানের প্রতি মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা, মমতা ও আত্মত্যাগ।
সংসারের শত ব্যস্ততা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানকে মানুষ করার দৃঢ় সংকল্প একজন মায়ের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কখনো সেই ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে সন্তানের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায়, কখনো অসীম উদ্বেগে, আবার কখনো নীরব ত্যাগে। কোনো মা সন্তানের জন্য একই ঘরে টানা ১৬ মাস অবস্থান করেছেন, কোনো মা সময়মতো ঘরে না ফেরা সন্তানকে খুঁজতে গভীর রাতে হারিকেন জ্বালিয়ে গ্রামের পথে বেরিয়ে পড়েছেন। আবার কারও জীবনের শেষ মুহূর্তের শেষ উচ্চারণ হয়ে থেকেছে সন্তানের কাছে একটুখানি পানি চাওয়া।
এসব গল্প শুধু মায়ের স্মৃতিচারণ নয় এগুলো আসলে একেকটি পরিবারের, একেকটি জীবনের এবং সর্বোপরি মাতৃত্বের অমলিন দলিল। কোথাও মায়ের চোখের পানি সন্তানের হৃদয়কে বিচলিত করেছে, কোথাও মায়ের ধমক আজও সন্তানের মনে শৈশবের নিরাপদ আশ্রয়ের অনুভূতি জাগায়। কারও কাছে মা ছিলেন প্রথম বন্ধু, কারও কাছে আদর্শ শিক্ষক, আবার কারও কাছে সাহিত্যপ্রেমের প্রথম অনুপ্রেরণা।
মায়ের ভালোবাসার এই বহুমাত্রিক রূপই যেন প্রতিটি লেখায় নতুন করে ধরা দিয়েছে। দূর প্রবাসেও সন্তানের জন্য মায়ের উদ্বেগ থেমে থাকে না। সৌদি আরবের রাস্তায় সন্তানকে খুঁজে বেড়ানো মায়ের গল্প যেমন আছে, তেমনি আছে এমন মায়ের কথাও যাঁর দুয়া সন্তানের কাছে জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়। আছে শেষ বিদায়ের মুহূর্তেও সন্তানের জন্য মায়ের হাত তুলে দুয়া করার হৃদয়স্পর্শী স্মৃতি।
মায়ের কোল যে সন্তানের কান্নার সবচেয়ে নিরাপদ স্থান এই চিরন্তন সত্যও উঠে এসেছে স্মৃতিচারণে। জীবনের নানা পর্যায়ে সন্তান যতই বড় হোক, মায়ের কাছে সে যেন চিরকালই ছোট। তাই আজও কোনো মা সন্তানকে নিয়ে খাবার টেবিলে যান, কেউ সন্তান ঘরে ফিরলে স্বস্তি পান, আবার কেউ দূরে থাকা সন্তানের জন্য নীরবে প্রার্থনা করেন।
এই গ্রন্থে স্থান পাওয়া স্মৃতিগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় মা শুধু একটি সম্পর্কের নাম নয়, মা একটি আশ্রয়ের নাম, ভালোবাসার নাম, নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের নাম। পৃথিবীর সব অর্জনের পরও সন্তানের হৃদয়ে মায়ের স্থানটি থাকে সবার ওপরে।
যাঁদের মাকে নিয়ে এই হৃদয়স্পর্শী স্মৃতিচারণ, তাঁদের নাম ও গল্পের শিরোনাম হলো—
মাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি — মিফতাহ্ সিদ্দিকী, মায়ের চোখের পানি বিচলিত করত — আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, মা আমার মায়াপির — সেলিম আউয়াল, আমার আদর্শ শিক্ষক ছিলেন মা — এমরান আহমদ চৌধুরী, পানি চাওয়াটাই ছিল মায়ের শেষ কথা — মো. শাহজাহান আলী, মা শেষবার চোখ মেলে দেখেছিলেন আমাকে — মিলু কাশেম, ৮০ বছর বয়সেও চশমা ছাড়া কোরআন পড়েন মা — দেলোয়ার হোসেন দিলু, আমার জন্মের সময় ১৬ মাস আলোর মুখ দেখেননি মা — ইশতিয়াক সিদ্দিকী, আজও আমাকে নিয়ে খাবার টেবিলে যান মা — সাঈদ আহমদ, মা হারিকেন জ্বালিয়ে পথে বের হতেন আমাকে খুঁজতে — মো. বদরুজ্জামান, কান্নার সেরা জায়গা হলো মায়ের কোল — নিজাম জায়গিরদার, এখনো ধমক শুনতে হয় মায়ের — কোমর উদ্দিন কামু, মা আমার সাহিত্যপ্রেমী — আকাশ চৌধুরী, মা আমার প্রথম বন্ধু — মাহবুবুল হক চৌধুরী, সৌদি আরবের রাস্তায় আমাকে খুঁজেছিলেন মা — শাহাব উদ্দিন শিহাব, আমার মা আদর্শ জননী — পার্থ তালুকদার, মায়ের মতো পাই না তো কাউকে — সৈয়দা শেফালি খানম, আমি ঘরে থাকলে মা শান্ত থাকেন — আসাদুল আলম, মায়ের দোয়া কবুল হয় — মোমাজ্জাদ আহমদ আল রাজী, মায়ের ভালোবাসার কাঙাল — সিদরাতুল মুনতাহা নাজিফা, শেষ বিদায়ে উপরে হাত তুলে দোয়া করে গেছেন মা — সৈয়দ এনায়েত হোসেন, সংসার একটি বাগান, তার মহাশক্তি মা — মো. মাসুক মিয়া
এই গল্পগুলো শুধু পড়ার জন্য নয়, অনুভব করার জন্য। প্রতিটি স্মৃতির ভাঁজে লুকিয়ে আছে একজন মায়ের অগণিত ত্যাগ, সন্তানের প্রতি তাঁর সীমাহীন মমতা এবং এমন এক ভালোবাসার গল্প যার কোনো শেষ নেই।
প্রথম আলো সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের ব্যুরো চিফ, বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত ফোকলোরবিদ ও প্রাবন্ধিক সুমনকুমার দাশ ‘সন্তানের মুখে মায়ের গল্প’ বইয়ের বহুল প্রচার কামনা করে বলেছেন, সন্তানের মুখে মায়ের গল্প বইভুক্ত লেখাগুলো প্রতিবেদন ঢঙে রচিত। যেহেতু প্রতিটি লেখাই পত্রিকার জন্য রচিত, স্বাভাবিক কারণেই এসব লেখা পাঠকের সুবিধার জন্য সহজ-সরল বর্ণনায় প্রতিবেদন আকারে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনগুলো পাঠে একজন পাঠক মায়ের প্রতি সন্তানের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর অপরিসীম আবেগ অনুভব করতে পারবেন। সন্তানের প্রতি সব মায়ের ভালোবাসা একইরকম এমনটাই আসলে প্রতিটি লেখার পরতে-পরতে পাঠক খুঁজে পাবেন। বইটির নামকরণ ও তিনি করেছেন।
তবে বইটি আরও বিস্তৃত সামাজিক বাস্তবতার দিকে যেতে পারত। মায়ের ত্যাগ ও ভালোবাসার পাশাপাশি মায়ের নিজস্ব স্বপ্ন, অপূর্ণতা, শ্রম, ব্যক্তিসত্তা কিংবা সামাজিক অবস্থান নিয়ে যদি আরও কিছু লেখা থাকত তাহলে মাতৃত্বের চিত্রটি আরও বহুমাত্রিক হতে পারত। কারণ মা শুধু সন্তানের জন্য ত্যাগ করার জন্য না তিনিও একজন স্বতন্ত্র মানুষ। তাঁরও স্বপ্ন থাকে, ক্লান্তি থাকে, অভিমান থাকে, অপূর্ণতা থাকে। সন্তানের স্মৃতির বাইরে মায়ের নিজের জীবনটিকেও কখনো কখনো দেখা দরকার।
এই সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বইটির মানবিক আবেদন অস্বীকার করার উপায় নেই। কারণ স্মৃতির সত্য অনেক সময় সাহিত্যিক অলংকারের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। একজন সন্তান যখন বলে, ‘মা আমার প্রথম বন্ধু’, তখন সেখানে বড় কোনো সাহিত্যিক বাক্য না থাকলেও একটি সম্পূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাস লুকিয়ে থাকে। যখন কেউ বলে, ‘আজও আমাকে নিয়ে খাবার টেবিলে যান মা’, তখন একটি পরিবারের দীর্ঘ সময়ের অভ্যাস, ভালোবাসা ও নির্ভরতার ছবি চোখের সামনে তৈরি হয়।
এই বই তাই মাকে নিয়ে কেবল আবেগঘন কিছু লেখা নয়। এটি এক অর্থে স্মৃতি সংরক্ষণের একটি প্রয়াস। প্রতিটি মা একদিন চলে যাবেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে কাটানো ছোট ছোট ঘটনাগুলো যদি কেউ লিখে রাখে তাহলে ব্যক্তিগত স্মৃতি একসময় সামাজিক স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে। এই দিক থেকে বইটির গুরুত্ব শুধু আবেগের জায়গায় সীমাবদ্ধ নয়।
সবশেষে বলতে চাই, কবি কুসুমকুমারী দাশ তাঁর বিখ্যাত ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতায় যে আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে’, তারই উজ্জ্বল প্রতিফলন আমরা তাঁর পুত্র জীবনানন্দ দাশের মধ্যে দেখতে পাই। তিনি কথার চেয়ে কাজে বড় হয়ে আজও তাঁর সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে জীবন্ত হয়ে আছেন। এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত সকলেও যেন নিজেদের কর্মে, নিষ্ঠায় এবং মায়ের আশীর্বাদে অনেকটা সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছেন। তাদের এই সমৃদ্ধি উত্তরোত্তর আরো বৃদ্ধি পাক এই প্রত্যাশাই রইল।
সন্তানের মুখে মায়ের গল্প
এম এ রহিম
স্বত্ব : সম্পাদক
প্রকাশকাল : ২০২৬
প্রকাশক: বুনন, জিন্দাবাজার, সিলেট।
প্রচ্ছদ : নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
মূল্য : ৩০০ টাকা
অনলাইন পরিবেশক : রকমারি ডটকম
লেখক: যুক্তরাজ্য প্রবাসী।
Related News
সন্তানের মুখে মায়ের গল্প
মুহাম্মাদ শরীফুজ্জামান: ‘মা’ একটি ছোট্ট শব্দ। অথচ এই শব্দটির ভেতরেই যেন লুকিয়ে আছে এক বিশালRead More
জহিরপুর সৈয়দ বাড়ির সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের প্রকাশনা সম্পন্ন
শাহ মনসুর আলী নোমান, লন্ডন থেকে: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার দাওরাই বাজারে টেমস-সুরমা পারের গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বRead More



Comments are Closed