Main Menu

তাহিরপুরে কলেজ ছাত্রীকে চারদিন আটকে রেখে বিয়ের জন্য চাপ, থানায় মামলা

বিশেষ সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণের পর চার দিন ধরে আটকে রাখায় এক ৭ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) তাহিরপুর থানায় মামলা করেন অপহরণের শিকার কলেজছাত্রীর বাবা।

মামলার আসামিরা হলেন, তাহিরপুরের উত্তর বড়দল ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের জহুর ইসলামের ছেলে শাওন ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫ জন।

জানা গেছে, বাদাঘাটে স্থানীয় একটি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রী কলেজে আসা যাওয়ার পথে গেল কয়েকমাস ধরে ওই কিশোর যৌন হয়রানি করে আসছে। কলেজছাত্রী বিষয়টি তার পরিবারের বাবা-মা, স্বজনদের জানালে বখাটে ক্ষিপ্ত হয়ে ২১ আগস্ট শুক্রবার ভোররাতে ওই কলেজছাত্রীকে বাড়ি থেকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর মেয়েকে ফেরত চেয়ে বাবা ওই তরুণের বাবা জহুর ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের শরণাপন্ন হন। এরপর শাওন ভিকটিমকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।

অভিযোগ রয়েছে, পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী জহুরের ছেলের বিরুদ্ধে স্কুল, কলেজের একাধিক ছাত্রীকে অতীতে রাস্তাঘাটে উত্তপ্ত করতো। এসব বিষয়ে ভোক্তভোগীর পরিবার নালিস করে আসলেও দাপুটে স্বজনদের ব্যবহার করে প্রতিটি ঘটনাই ধামাচাঁপা দেয়া হতো।

অপরদিকে মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ছাত্রীর চরিত্র হননের জন্য সাইবার ব্যূলিং, সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে অপহরণ ও আটকে রাখার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভিকটিমের বাবা-মা বলেন, আমরা গরিব মানুষ, আমার কিশোরী মেয়ের সম্ভ্রমহানির আগেই ফিরে পেতে ও অপহরণকারী চক্রের আইনি শাস্তির জন্যই থানা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি।

সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার এবি এম জাকির হোসেন পিপিএম বলেন, ভিকটিমকে দ্রুত উদ্ধার ও অপহরণে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য থানা পুলিশ সহ পুলিশের গোয়েন্দা টিম তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed