Main Menu

সিলেটে জাল কাগজপত্র দিয়ে জমি বিক্রয়ের চেষ্টাকালে জালিয়াত চক্র আটক ও জরিমানা

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে জমি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে ক্রেতা ও বিক্রেতা পক্ষের দুই প্রতিনিধিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১টার দিকে সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

জরিমানাপ্রাপ্তরা হলেন ক্রেতা পক্ষের প্রতিনিধি ও শ্বশুর শুক্কুর আলী এবং বিক্রেতা পক্ষের মাকসুদা চৌধুরী। তবে ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত সুমন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

Manual6 Ad Code

সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার মিনহাজ উদ্দিন জানান, বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত সম্পত্তির প্রকৃত মালিক মাকসুদা চৌধুরী বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তার স্বামী জীবিত থাকাকালে হেবা দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তিটি তার নামে হস্তান্তর করেন এবং এ সংক্রান্ত রেকর্ড ও নামজারিও রয়েছে। পরবর্তীতে তিনি ১ কোটি ১৫ লাখ টাকায় সম্পত্তিটি বিক্রির জন্য ক্রেতার সঙ্গে বায়নাপত্র সম্পাদন করেন। জমা দেওয়া বায়নাপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র প্রাথমিকভাবে সঠিক বলেই প্রতীয়মান হয়।

তবে বুধবার হেবা দলিলকে পাশ কাটিয়ে পরবর্তীতে তৈরি করা একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (পাওয়ার দলিল) সামনে আসায় জটিলতার সৃষ্টি হয়। দলিলটির বিভিন্ন তথ্য নিয়ে অসঙ্গতি দেখা দিলে সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই শুরু করে। এ সময় দলিলটি কারা এবং কীভাবে তৈরি করেছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত করা সম্ভব হয়নি।

Manual8 Ad Code

যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, মূল মালিকানার দাবির ভিত্তি হিসেবে থাকা হেবা দলিল, রেকর্ড ও নামজারির তথ্যের সঙ্গে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির তথ্যের মিল নেই। ফলে বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে মাকসুদা চৌধুরীর নামে থাকা রেকর্ড ও নামজারির বিষয়টিও পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান সাবরেজিস্ট্রার।

এ বিষয়ে সিলেট সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরকার মামুনুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি ভূমি প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং উভয় পক্ষই প্রবাসী হওয়ায় তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তে জালিয়াতির মাধ্যমে কিছু নথিপত্র উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে সন্দেহ হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, যা অভিযুক্তরা মেনে নিয়েছেন।”

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ জুন সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে জাল দলিলের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রির চেষ্টাকালে দুই দালালকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

Manual6 Ad Code

সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিস জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে জমি বিক্রি জালিয়াত চক্র আটক জরিমানা ভ্রাম্যমাণ আদালত

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code