Main Menu

শ্রীমঙ্গলে ৩২ লাখ টাকার মালামাল চুরি, দুই সপ্তাহেও উদ্ধার নেই

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের গুহরোড এলাকায় সংঘটিত চুরির ঘটনার ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো উদ্ধার হয়নি প্রায় ৩২ লাখ টাকার নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে। দ্রুত চোর শনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদর্শন শীল পরিবারসহ কুলাউড়ায় শ্বশুরবাড়িতে যান। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে বাসায় ফিরে তিনি ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। রুমে ঢুকে দেখেন আলমারি ও ওয়ারড্রব খোলা। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ওয়ারড্রবে রাখা নগদ দুই লাখ টাকা এবং আলমারি ও ওয়ারড্রবে সংরক্ষিত বিয়ের ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে।

Manual5 Ad Code

ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার বা বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বাসার পেছনের গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে এ চুরির ঘটনা ঘটায়। ঘটনার দিনই বিকেলে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরদিন ২১ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়।

Manual4 Ad Code

ক্ষতিগ্রস্ত সুদর্শন শীল বলেন, ‘আমাদের প্রায় ৩২ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। মামলার ১২-১৩ দিন পার হলেও এখনো কিছু উদ্ধার হয়নি। টাকা ও স্বর্ণ আদৌ উদ্ধার হবে কি-না তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। পুলিশ প্রশাসন গুরুত্বসহকারে তদন্ত করলে আমাদের মালামাল উদ্ধার হবে বলে আশা করছি।’

Manual4 Ad Code

এলাকাবাসীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় চুরির ঘটনা বেড়েছে। তারা রাতের টহল জোরদার এবং চুরির ঘটনায় মূল ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। অনেকের মতে, সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি পর্যেবক্ষণ করে পরিকল্পিতভাবে এ চুরি সংঘটিত করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সজীব চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগের সূত্র ধরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলের সড়কে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করলেও চুরির বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।’

Manual4 Ad Code

এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, ‘চুরির ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সে অনুযায়ী পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’

তবে এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার বা জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো অগ্রগতির তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে। সচেতন মহল দ্রুত মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code