Main Menu

সুনামগঞ্জে শিক্ষকের কক্ষে বিএনপি নেতার ছেলের তালা, নেয়া হয়নি ব্যবস্থা

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় এসএসসির নির্বাচনি পরীক্ষায় সাত বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

Manual3 Ad Code

তবে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক স্কুলে উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে।

Manual6 Ad Code

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম মো. আরিফ। তিনি ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র এবং লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজের ছেলে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষার আগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি পরীক্ষায় আরিফ সাত বিষয়ে ফেল করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চারটির বেশি বিষয়ে অকৃতকার্য হলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার সকালে আরিফ বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন।

এক পর্যায়ে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং প্রধান শিক্ষকের কক্ষসহ একটি কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন। এ সময় বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় এক শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন আরিফ।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ বলেন,‘নির্বাচনি পরীক্ষায় চারটির বেশি বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে। আরিফ সাত বিষয়ে ফেল করায় তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং কক্ষে তালা দেয়।’

Manual8 Ad Code

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আরিফ দাবি করে বলেন, সব বিষয়ে পাস করা ১৬ জন ছাড়া অন্যদের যদি পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়, তাহলে আমাদেরও সুযোগ দিতে হবে। আমাদের বারবার দাবি উপেক্ষা করা হয়েছে, তাই বাধ্য হয়ে তালা দিয়েছি।’

Manual7 Ad Code

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল আজিজ বলেন,‘আমি এ ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানি না। আমার ছেলে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে বলেন,‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুনেছি সে একজন বিএনপি নেতার ছেলে।’

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code