Main Menu

‘সাদাপাথর ও ধলাই সেতু রক্ষার দাবি করাই কাল হয়েছে আমার বাবার’

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পর্যটন কেন্দ্র সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর ও ধলাই সেতু রক্ষার দাবি জানানোর কারনে মিথ্যা মামলায় ফাসানো হয়েছে ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর আলমকে।

Manual3 Ad Code

শনিবার (১৬ আগস্ট) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন দাবি করেছেন তার ছেলে রায়হান আলম।

Manual4 Ad Code

সংবাদ সম্মলনে বলা হয়, সাদা পাথর ও ধলাই সেতু রক্ষা কমিটির আহবায়ক তার বাবা।

Manual2 Ad Code

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদী সিলেট বিভাগের দ্বিতীয় দীর্ঘতম এম সাইফুর রহমান সেতু অবৈধ বালুখেকোদের কারনে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে। বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও ইলেকট্রনিকস্ মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। ব্রিজের ৫০/১০০ ফুট কাছে থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে দিনে রাতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এটি বন্ধে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চাইলেও কোন কাজ হয়নি। পরবর্তীতে
সঠিকভাবে বালু উত্তোলন ও এম সাইফুর রহমান সেতু রক্ষায় এ বছরের ১৯ মার্চ সিলেটের জেলা প্রশাসক ও একই বছরের ২৭ জুলাই সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের জোরালো প্রতিবাদের কারনে অনেকেই তার প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে।

এছাড়া গত ১৩ আগষ্ট গ্রেপ্তারের আগের দিন সাদা পাথর ও ধলাই সেতু রক্ষায় এলাকাবাসী আয়োজিত অনুষ্ঠানে লুটপাটের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। তার ওই বক্তব্যের পুরোটাই ছিল সাদা পাথর ও ধলাই সেতু রক্ষার আবেদন।

এছাড়া গেল বছর ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাদাপাথর সহ সরকারের বিভিন্ন খনিজ সম্পদে চোখ পড়ে লুটেরা চক্রের। ওই সময় রাষ্টের সম্পদ রক্ষায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এলাকায় গিয়ে পাথর লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন তার বাবা।

সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় সাদাপাথর সহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। যা গণমাধ্যমেও লাইভ করা হয়। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিভিন্ন সভায় তিনি সাদাপাথর সহ সকল পর্যটন কেন্দ্র রক্ষার দাবি জানিয়ে বক্তব্য রেখেছেন।

এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেকের বিরাগভাজন হয়ে ওঠেন তার বাবা।

লাইভে থাকা আমার বাবার বক্তব্যগুলো যদি আপনারা পর্যালোচনা করেন তাহলেই বুঝতে পারবেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কতটা শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

Manual5 Ad Code

শুধু তাই নয়; লুটেরাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় একটি মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে দেওয়া হয় তার বাবাকে।

গেল বছর দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক ওই মামলায় গত ১৪ আগষ্ট ভোর রাতে তার বাবাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলা নং জিআর ৬২/২৪। মামলাটি করেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শিপলু কুমার দে। মামলায় লিস্টার মেশিন মালামালসহ চুরির অভিযোগ করা হয়। বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত মেশিনগুলো কে বা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। অথচ মিথ্যা ওই মামলায় আসামী করে তার বাবাকে হয়রানি করা হচ্ছে। হয়রানিমূলক ওই মামলায় গত ১৪ আগষ্ট আমার বাবাকে গ্রেপ্তারের পর কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার বাবাকে সাদাপাথর লুট সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রচার হয়। সাদাপাথর একটি চক্র ধবংস করে দিয়েছে। আর কারা এসবের সঙ্গে জড়িত সকলের জানা আছে। নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে আমার বাবা প্রশাসনের কাছে বার বার ধর্ণা দিয়েছেন রাষ্টীয় সম্পদ রক্ষায়। অথচ বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার বাবাকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে তা আমার পরিবার এবং ইউনিয়নের লোকজন কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না। প্রকৃত ঘটনা গত বছরের একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাদাপাথর লুটপাটের মামলায় আমার বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেটি কোনভাবেই সত্য নয় বলে তিনি দাবি করেন। এ সময় ইসলামপুর ইউনিয়নের মুরুব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code