Main Menu

অনুপস্থিত থেকেও প্রতি মাসে বেতন নিচ্ছে ওসমানী হাসপাতালের ১৬ নার্স

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬ জন নার্সকে বেতন-ভাতা বাবদ উত্তোলিত টাকা সরকারি কোষাগারে জমাদানের জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, চাকুরীতে অনুপস্থিত থেকেও তারা অবৈধভাবে বেতন, ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছিলেন।

গত ৮ জানুয়ারি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদেশ কার্যকর করার জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়- হাসপাতালের ৪৩ জন নার্সের মধ্যে ১৬ জন নার্স কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে মোট ১৮ লাখ ৪ হাজার ৫শ টাকা উত্তোলন করেন।

এদিকে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ওমর রাশেদ মুনীর। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কয়েকজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি যাচাই-বাছাই করে যাদের বিরুদ্ধে সুপারিশ করবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবৈধ বেতন-ভাতা উত্তোলনকারী ১৬ নার্স হলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ইউসুফ, মো. আব্দুর রহমান, লিপি রানী, আওলাদ হোসেন মাসুম, জাহেদ আহমেদ, এমএফকে জান্নাত, একরামুল হক, কামরুন নাহার, কিলি ধর, মো. আলী আশরাফ, মো. শাহিন মিয়া, শামীমা জান্নাত, জান্নাতুল ফেরদৌস, শিরিন সুলতানা ও লাভলী বেগম।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, গঠিত তদন্ত কমিটির এক প্রতিবেদনে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে হাসপাতাটির ৪৩ জন নার্সিং কর্মকর্তার মধ্যে ১৬ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ নার্সিং অ্যাসোসিয়েশন (বিএনএ) ওসমানী হাসপাতাল শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ জানান, অভিযুক্তরা বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন। তারা অবৈধপন্থায় এতদিন যাবত বেতন-ভাতার টাকা নিচ্ছেন।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ওমর রাশেদ মুনীর বলেন, কয়েকজনের ব্যাপারে এর সত্যতা মিলেছে। তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি যেভাবে সুপারিশ করবে সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share





Related News

Comments are Closed