সহযোগিতা পেলে সিকৃবিতে স্থানীয়ভাবেই ভ্যাক্সিন উৎপাদন সম্ভব: সিকৃবি ভিসি
সিকৃবি সংবাদদাতা: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেছেন, ‘প্রাণী সম্পদের উন্নয়নে ভেটেরিনারিয়ানদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ভেটেরিনারিয়ানদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি ব্যক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।’
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘ব্রিজিং ইনোভেশন এন্ড ভেটেরিনারি কেয়ার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবির ভিসি প্রফেসর ড. আলিমুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
সিকৃবির ভিসি বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা পেলে সিকৃবিতে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব তৈরি করে স্থানীয়ভাবেই ভ্যাক্সিন উৎপাদন করা সম্ভব।’
ফিজিওলজি বিভাগের সহযোগী প্রফেসর ডা. সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এটিএম মাহবুব-ই-ইলাহী, ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলাম এবং ইন্টার্নশীপ সমন্বয় কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাওছার হোসেন। এফএনএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের এজিএম ড. মোছা. কোহিনুর পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডা. মো. খালেক মাহমুদ শাকিল এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. আইনুল হক।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে এফএনএফ ফার্মাসিউটিক্যালস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ পর্যন্ত তারা ১০জন পিএইচডি এবং ১৫জন এমএস ছাত্রের শিক্ষা ও গবেষণায় আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রাণী চিকিৎসা পেশায় যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে এফএনএফ ফার্মাসিউটিক্যালস। বক্তারা আরও বলেন, দেশের প্রাণী সম্পদের ভ্যাক্সিনের মোট চাহিদার ৪০ ভাগ দেশে উৎপাদন করা হয়। অথচ সঠিক ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক সহযোগিতা পেলে এর পরিমাণ ৮০ ভাগে উন্নীত করা সম্ভব।
Related News
জুন মাসে সিলেটে গ্রেপ্তার ২ হাজার ৩২২ জন
Manual1 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট মহানগরীর ৬টি থানাপুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে গত জুনRead More
সিলেটে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতা, সাম্প্রদায়িকতা ও মানবিক সংকটের এই সময়েRead More



Comments are Closed