Main Menu

রাজবাড়ীর পাংশায় চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাঝাইল ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামে মোটর চুরির অভিযোগে জজ আলী বিশ্বাস (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

Manual3 Ad Code

বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জজ আলী বিশ্বাস পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মাঝাইল গ্রামের শুকুর আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি কৃষিকাজ করতেন এবং তিন সন্তানের জনক ছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

Manual2 Ad Code

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আজ বুধবার ভোরের দিকে পাংশা উপজেলার কসবামাঝাইল ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামের করিম মণ্ডলের মিলে মোটর চুরি করতে গেলে স্থানীয়রা জজ আলীকে আটক করে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসধীন অবস্থায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Manual7 Ad Code

চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না দাবি করে জজ আলী বিশ্বাসের ভাতিজা মিজান বিশ্বাস বলেন, পাট্টা ও কসবামাঝাইল গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মারামারি চলে আসছে। প্রায় দেড় মাস আগে তাদের পক্ষের জামিন বিশ্বাস নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলায় অভিযুক্তরা মঙ্গলবার আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় ফেরেন।

মিজান বিশ্বাসের দাবি, “আরিফ নামে একজন আমার চাচার পরিচিত ছিলেন। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে কৌশলে তাকে ডেকে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধর করা হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রাখা হয়। আমার চাচা কৃষিকাজ করতেন। তার তিনটি সন্তান রয়েছে। এখন তাদের কী হবে?

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, “ভোর ৫টার দিকে আমি ঘটনাটি ফোনে জানার পর বলেছিলাম, আপনারা তাকে মারধর করবেন না, আমরা আসছি। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আমরা তাকে দ্রুত পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসধীন অবস্থায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

ওসি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এ জন্য আমরা সুরতহাল তৈরী করে লাশ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code