Main Menu

১০ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে শিক্ষক সমিতির স্মারকলিপি

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বিভিন্ন বৈষম্য দূরীকরণে টাইমস্কেল বঞ্চিত পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে জটিলতা দূরীকরণসহ ১০ দফা দাবিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ সরকারী প্রাধমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

Manual8 Ad Code

সোমবার (১৪ অক্টোবর) ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারী প্রাধমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার সভাপতি নুহেল আহমদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

Manual8 Ad Code

স্মারকলিপিতে ১০ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- ১ম দফাঃ গত ০৯/০৩/২০১৪ খ্রিঃ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নয়ন হয়ে বেতন ভাতাদি বর্ধিত হারে পেলেও পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ০৯/০৩/২০১৪ থেকে ১৪/১২/২০১৫ পর্যন্ত গ্রেড উন্নয়নের কথা বলে ২য় ও ৩য় শ্রেণীর চাকুরী কালের সমন্বয়ে আইনি বাধা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষকগণ টাইমস্কেল পাচ্ছেন না অথচ প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড উন্নয়নের পরও ৩য় শ্রেণীর বেতন কোডে বেতন ভাতা এখন পর্যন্ত পাচ্ছেন। এতে পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণ ২৬ থেকে ২৮ বৎসর পরও কোন টাইমস্কেল না দেওয়ায় ১১ নং গ্রেডে চাকুরী করছেন তাই চাকুরি কাল হারিয়ে যাওয়ায় জুনিয়র সহকারী শিক্ষকরা ৩ টা টাইমস্কেল পেয়ে ১০ নং গ্রেডে বেতন ভাতা পাওয়ায় সিনিয়র প্রধান শিক্ষকদের চেয়ে বেশি বেতন পাচ্ছেন। তা ছাড়া প্রাধান শিক্ষক (চ:দা:) প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা আরো অতিরিক্ত ১৫০০/- টাকা বেশি বেতন পেয়ে সহকারী শিক্ষক হয়েও প্রধান শিক্ষক থেকে বেতন ভাতাদিতে অনেক উপরে। আমরা এ আমলা তান্ত্রিক আইনি মারপ্যাচ এবং জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে আইনি সংস্কার ও সহযোগিতা চাই এবং চাকুরী কালের ন্যায্য টাইমস্কেল সহ বেতন ভাতা পেতে চাই। আমারা ০৯/০৩/২০১৪ থেকে ১৪/১২/২০১৫ পর্যন্ত সকল প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতার নিরসন পূর্বক টাইমস্কেল প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ চাই। আমাদের ডিপার্টমেন্ট সহ অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ১৪/১২/২০১৫ পর্যন্ত টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পেলেও শুধু মাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ তাদের প্রাপ্য টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। আমরা টাইমস্কেল বঞ্চিতরা এই বৈষম্য সৃষ্টিকারী অজুহাত সংস্কার করে সমস্যা নিরসন পূর্বক টাইমস্কেল সহ বেতন ভাতা পাওয়ার দাবী জানাচ্ছি। ২য় দফাঃ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে পরীক্ষণ বিদ্যালয় ও হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ৯ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৮ম গ্রেডে বেতন ভাতা প্রদান করতে হবে। প্রথম শ্রেণীর নাগরিক সৃষ্টি করতে হলে শিক্ষকদের প্রথম শ্রেণীর আর্থসামাজিক মর্যাদা প্রদান করতে হবে যাতে মেধাবীরা এ পেশায় এগিয়ে আসে। ৩য় দফাঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ শুধু হবে সহকারী শিক্ষক হিসেবে বাকি উপরের পদ গুলোতে শত ভাগ পদোন্নতি দিতে হবে মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের মত জৈষ্ট্যতার ভিত্তিতে নি:শর্তভাবে। ৪র্থ দফাঃ প্রাথমিকে সকল অফিস প্রধান পদ ক্যাডার ভিত্তিক হোক। ৫ম দফাঃ অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের মত প্রাথমিক শিক্ষকদের নন ভেকেশন সার্ভিস ঘোষণা করে বৈষম্য থেকে মুক্ত করা হোক। ৬ষ্ঠ দফাঃ পাঠ দানের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নির্বাচনী কাজ ব্যতীত পাঠ বহির্ভূত কাজ থেকে বিরত রাখা হোক। ৭ম দফাঃ সরকারী সকল কমিটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি রাখা হোক। ৮ম দফাঃ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটিতে বেসরকারী প্রতিনিধিত্ব বাতিল চাই। ৯মঃ হাই স্কুলের কমিটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক প্রতিনিধি নেই অথচ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাই স্কুলের প্রতিনিধি আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটিতে হাই স্কুলের প্রতিনিধি বাতিল করা হোক। ১০ম দফাঃ নির্বাচনী কাজে সরকারী শিক্ষককে বেসরকারীদের অধীনে না দিয়ে সরকারী কর্মকর্তাদের অধীনে দায়িত্ব¡ দিতে হবে।

স্মারকলিপিতে লক্ষ লক্ষ সরকারী প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রাণের দাবীগুলো বর্তমান রাষ্ট্র সংস্কারের সাথে সম্পৃক্ত করে বৈষম্য দূরিকরণে যথাযথ প্রদক্ষেপ গ্রহণ করতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি অনুরোধ জানান নেতৃবৃন্দ।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code