Main Menu

জগন্নাথপুরে একটি পরিবারকে সমাজচ্যুত করার অভিযোগ

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসী গ্রামে একটি পরিবারকে সমাজচ্যুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রবিবার (৩০ জুন) শ্রীরামসী গ্রামের মৃত রমিজ আলীর ছেলে আনার মিয়া বাদী হয়ে শ্রীরামসী গ্রামের মৃত আরশ আলীর ছেলে সায়েক মিয়া ও চমক আলীর ছেলে মাহবুব হোসেন সহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে এ অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে আনার মিয়া উল্লেখ করেন, আমি ১৯৭৩ সন হতে ইসমাইল আলী ও আফতাব আলী কয়েস লন্ডনীর বাড়িতে বসবাস করিয়া তাহাদের বাড়ী ঘর জায়গা জমি দেখাশুনা সহ রক্ষনাবেক্ষন করিয়া আসিতেছি। আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন ইসমাইল আলী ও আফতাব আলী কয়েস দ্বয়ের বাড়িতে থাকিয়া তাহাদের বাড়ী ঘর দেখাশুনা করার কারনে বিবাদীগণ আমাদের উপর ক্ষিপ্ত থাকে এবং আমাদের ক্ষতি সাধনের অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকিয়া সুযোগের সন্ধানে রয়েছে। গত মে মাসে বিবাদীগণ আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনদের এলাকা ছাড়া করার জন্য হুমকি প্রদর্শন করে। বিবাদীগন এলাকায় বৈঠক করিয়া আমাদেরকে সমাজচ্যুত করিয়া রাখে। তিনি আরো উল্লেখ করেন আমরা এলাকা ছাড়িয়া না গেলে তাহারা ইসমাইল আলী ও আফতাব আলী গংদেরকেও সমাজচ্যুত করিবে বলিয়া হুমকি প্রদর্শন করে। বিবাদীগন প্রায় সময় আমাকে সহ আমার পরিবারের সদস্যদের রাস্তা ঘাটে দেখলে গালমন্দসহ ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আমাদেরকে রাস্তাঘাটে, দোকানে, বাজারে, মসজিদে এবং স্কুলে যাওয়া আসাতে বাধা নিষেধ করিয়া আসিতেছে।
গত ১৬ জুন বিকেল সাড়ে ৪ টায় শ্রীরামসী সাকিনস্থ শামসুননেছা মার্কেটের সামনে বিবাদীগণ আমাকে দেখিয়া অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। বিবাদীদেরকে বাধা নিষেধ করিলে বিবাদীগন আমার উপর উত্তেজিত হয়ে আমার সাথে মারমুখী আচরণ করে। শোর- চিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে আমাকে বিবাদীদের কবল হইতে উদ্ধার করেন। বিবাদীদের ভয়ে আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল- বশিরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অভিযোগটি থানায় প্রেরন করা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed