Main Menu

যুক্তরাষ্ট্রে সেই দূর্ঘটনায় বেঁচে আছেন মেয়ে, বাবার জানাযা সম্পন্ন

Manual1 Ad Code

প্রবাস ডেস্ক: দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত মিশিগানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাবা ও মেয়ে, সংবাদটি পুরোপুরি সত্য নয়। এই দুর্ঘটনায় বাবা মারা গেলেও আংশকাজনক অবস্থায় হাসপাতালে জীবিত আছেন মেয়ে সানজিদা মুমু। এছাড়া হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ছেলে তামিম বাবার জানাজায় অংশগ্রহণ করেছেন।

Manual1 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ওয়ারেন সিটিতে আকস্মিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত সিলেটের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলী সাজুর (৫০) জানাজা ২৭ ফেব্রুয়ারী সম্পন্ন হয়েছে ডেট্রয়েট সিটির মসজিদূন নুরে।

Manual5 Ad Code

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারী ওয়ারেন সিটির রায়ান রোডে বিপরিত দিক থেকে অতিরিক্ত স্পিডিং করে আসা আরেকটি গাড়ি সজোড়ে ধাক্কা দেয় সাজুর বহনকারী গাড়িকে। মারাত্নক আহত সাজু, তাঁর মেয়ে সানজিদা মুমু ও ছেলে শাহজাহান তামিম কে হাসপাতালে প্রেরণ করলে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার সাজুকে মৃত্যু ঘোষনা করেন।

Manual6 Ad Code

আহত সানজিদা মুমু’র(২৫) শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক। তবে ছেলে শাহজাহান তামিম(২২) আহত অবস্থায় হাসপাতালের ছাড় নিয়ে বাবার জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। তবে বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত মিশিগানে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত বাবা ও মেয়ে খবরটি সত্য নয়। মেয়ে এখনো জীবিত আছেন।

Manual7 Ad Code

সিলেট নগরীর আম্বরখানার বড় বাজারের বাসিন্দা ও পৌরবিপনীর কাচঘরের মালিক সাজু ৪ বছর আগে স্ত্রী, ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য আসেন।

অপরদিকে দূর্ঘটনা ঘটানো গাড়িতে বহনকারী দূজন তাঁদের বাড়িও সিলেটে। একজন শিবগঞ্জ এলাকার বাদুরলট্কার আয়মান এবং অন্যজন ফারহান তার ঠিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানাজার নামাজ শেষে নিহতের স্ত্রীর খালাতো ভাই ইসফা ইসলাম জানিয়েছেন, আজকেই নিহতের লাশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক হয়ে আগামী ৩ মার্চ শনিবার বাংলাদেশে পৌছাবে এবং ঐদিনই মরহুমকে সিলেট শহরেই দাফন করা হবে।

এমন মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত সাজুর মৃত্যুতে মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং এখানে বেড়ে ওঠা ছেলে-মেয়েদের উচ্ছৃঙ্খল ও অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনে পরিবারকে দায়ী করছেন ও সন্তানদেরকে আরো পারিবারিক আবহে রাখার আহবান করছেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code