Main Menu

সিলেটে সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, আরিফ, গৌছ, বাবরসহ খালাস ৯

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেছেন আদালত। একইসঙ্গে রায়ে প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হুইপ জিকে গৌছসহ ৯ জনকে খালাস প্রদান করা হয়।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার(২৪ জুন) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় প্রদান করেন।

এ তথ্য জানিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বলেন, মামলার রায়ে সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড ও বাকিদের খালাস প্রদান করা হয়েছে।

জানা যায়, নাঈমের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুরে। তিনি সুরঞ্জিত সেনহত্যা চেষ্টা ছাড়াও বিভিন্ন বোমা হামলা ও জঙ্গি হামলা মামলার আসামি। এসব মামলায় প্রায় ২০ বছর জেল খাটেন সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ। তিনি সুরঞ্জিত সেন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।

জানা যায়, সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর সিলেটে বোমা হামলা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। যদিও পরে এই মামলায় খালাস পান। এছাড়া সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলা, সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের উপর বোমা হামলা মামলা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এসএম কিবরিয়া হত্যা মামলারও আসামি নাঈম আহমদ আরিফ। সুরঞ্জিত সেন হত্যা চেষ্টা মামলায় জেল খাটার পর সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান।

Manual7 Ad Code

তবে নাঈমকে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করেছেন তার ভাই। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ বলেন, আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সে এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।

তিনি বলেন, ১/১১ সরকার তারে জঙ্গি সাজাতে চেয়েছে সুরঞ্জিত সেন হত্যা চেষ্টা মামলায় নির্যাতন করে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দি আদায় করেছে।

রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বর থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় আসামি নাঈমকেও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমু।

২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। গ্রেনেড বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলে নিহত ও ২৯ জন আহত হন। হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

Manual1 Ad Code

ওই ঘটনায় দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকার্য শুরু হয়।

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code