দেশে এখন পুরুষের চেয়ে নারী ১.৮৭ শতাংশ বেশি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশে জনসংখ্যা বাড়ার হার কমছে। এ প্রবণতার মধ্যেই পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারির যাচাইপরবর্তী সমন্বিত পরিসংখ্যান প্রতিবেদন বলছে, মোট জনসংখ্যার ৫০ দশমিক ৪৩ শতাংশ এখন নারী। আর পুরুষ ৪৯ দশমিক ৫১ শতাংশ।
সে হিসেবে দেশে নারীর সংখ্যা এখন ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৫৩ হাজার ১২০ জন। পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ৪০ লাখ ৭৭ হাজার ২০৩। দেশে মোট জনসংখ্যা এখন জনংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১।
গত রোববার (২ এপ্রিল) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের যাচাই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। জরিপের প্রাথমিক প্রতিবেদনের ফল এবং যাচাই প্রতিবেদনের ফলের মধ্যে ব্যবধান দেখানো হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। এ উপলক্ষ্যে রাজধানীর পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। মন্ত্রণালয়ের প্রতিমমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল আলম এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন, বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন, বিবিএসের মহাপরিচালক মতিয়ার রহমান প্রমুখ।
বিবিএসের গণনা জরিপের প্রাথমিক প্রতিবেদনের পর গত ৬ ফ্রেব্রুয়ারি বিআইডিএসের যাচাই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে প্রাথমিক প্রতিবেদনের চেয়ে মোট জনসংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ বেড়েছে।
এভাবে প্রায় সব ধরনের পরিসংখ্যানই প্রাথমিক প্রতিবেদনের চেয়ে বেড়েছে। গত বছরের (২০২২ সালের) ২৭ জুলাই জনশুমারির প্রাথমিক ফল প্রকাশ করা হয়। এরআগে ১৪ জুন রাত ১২টায় সারাদেশে একযোগে গণনা কার্যক্রম শুরু হয়ে ২১ জুন শেষ হয়।
পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়, দেশে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ২০২১ সালের হিসেব অনুযায়ী, দেশে প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ৯৮ দশমিক ১৩ জন। অর্থাৎ দেশে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘মনিটরিং দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০২১ সালে এই জরিপটি পরিচালনা করে বিবিএস।
জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, দেশের পল্লি অঞ্চলে ১০০ নারীর বিপরীতে পুরুষ ৯৮ দশমিক ২৪ জন এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯৮ দশমিক ৪৯ জন। নারী-পুরুষের এই ব্যবধান ২০২০ সালের জরিপ ফলাফলের তুলনায় বেশ পরিবর্তিতও হয়েছে। যদিও ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এ অনুপাত স্থির ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জনসংখ্যার লিঙ্গ অনুপাতে ভিন্নতা সৃষ্টির পেছনে ধর্ম, বসবাসের অঞ্চলগত পার্থক্য, বয়স, জাতিগত বৈশিষ্ট্য, বৈবাহিক অবস্থা, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়, জন্মগতভাবে প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্যাসহ বিভিন্ন বিষয় ভূমিকা রাখে। তবে বেশিরভাগ সংস্কৃতিতে লিঙ্গ অনুপাতের ক্ষেত্রে ধর্মীয় ভিন্নতা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে না। বরং শহুর ও পল্লি এলাকার ভিন্নতা এক্ষেত্রে কখনো কখনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
Related News
৮ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ
Manual8 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশের আটটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে সরকার।Read More
আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ
Manual1 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতি শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ (১২ জুন)। দিবসটির এRead More



Comments are Closed