Main Menu

সারা দেশে আবার বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর পল্লবীসহ বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ করে রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সারা দেশে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

রাজধানীর গুলশানে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ২২ আগস্ট থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। এসব কর্মসূচিতে দলটির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। এতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনাদের বলি, কালকে যে ঢাকাতে একটা ঘটনা হয়েছে, একই সঙ্গে সারা দেশেই যে ঘটনাগুলো হয়েছে, সেগুলোর প্রতিবাদে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগরসহ সকল মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে এবং ঢাকা মহানগরে নয়াপল্টনে পার্টি অফিসের সামনে ৩টা সময় উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

রাজধানীর পল্লবীতে বৃহস্পতিবার পাশাপাশি সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি টিয়ারশেল নিক্ষেপের কথা জানায় পুলিশ।

সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খরব পাওয়া যায়। বিএনপির অভিযোগ, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাদের লাঠিপেটা ও ধাওয়া করেছে।

পল্লবীতে দলীয় কর্মসূচিতে হামলা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘গতকাল আপনারা নিজেরাই দেখেছেন, রিপোর্ট করেছেন এবং পুরো ঘটনা আপনাদের সামনেই…আপনারা জানেন যে, আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ভোলায় গুলিবর্ষণ করে আমাদের দুই নেতা নুরে আলম এবং আবদুর রহিম, নারায়ণগঞ্জে শাওন, তাদের হত্যার প্রতিবাদে আমরা সারা দেশেই কর্মসূচি করেছি ১০ তারিখ পর্যন্ত।

‘ঢাকা মহানগরে আমরা পূর্বেই ঘোষণা করেছিলাম যে, ১০ তারিখ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত আমাদের ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণে আটটি জোন করে ১৬টি জোনে এই দাবিগুলোর পক্ষে জনমত সম্প্রসারণের জন্য সমাবেশ করা হবে এবং সে অনুযায়ী ১০ তারিখ থেকে আমাদের সমাবেশ শুরু হয়েছে। আপনারা জানেন যে, প্রত্যেকটি সমাবেশই আমরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে যাতে হতে পারে, সে কারণে আমরা আমাদের দিক থেকে সম্পূর্ণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।’

তিনি বলেন, “পুলিশকে জানানো হয়েছে চিঠি দিয়ে প্রত্যেকটি সমাবেশ কোথায় হবে, কখন হবে, কারা কারা নেতৃবৃন্দ থাকবেন, সবই তাদেরকে অবহিত করা হয়েছে এবং সেভাবেই কর্মসূচিগুলো চলছিল। কম-বেশি সমস্যার মধ্য দিয়ে কিন্তু আমরা আমাদের কর্মসূচিগুলো পালন করে চলছি। গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বরে পল্লবী জোনে যে সমাবেশটি ছিল, এটা কথা ছিল ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ আপত্তি করার পর আমাদের নেতৃবৃন্দ এটাকে তারা দুটো জায়গার কথা বলেছিলেন, পল্লবী পুরাতন থানার সামনে অথবা পল্লবী ছয় নম্বর কাঁচাবাজারের সামনে…শেষ পর্যন্ত পুলিশ কর্তৃপক্ষ পল্লবী ৬ নম্বর কাঁচাবাজারের সামনে মাঠে দুপুর একটায় এই সভা করার অনুমতি প্রদান করে।

“সেখানে যখন আমাদের নেতৃবৃন্দ…মঞ্চ তৈরি করছিলেন এবং মাইক লাগাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা লাঠিসোটা নিয়ে, মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা আক্রমণ করে এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আক্রমণ করা হয় এবং এটা আপনাদের মিডিয়াতেই উঠে এসেছে।”

0Shares





Related News

Comments are Closed