Main Menu

ঐতিহাসিক কারবালায় নেওয়া হবে খামেনির মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। ধারণা করা হচ্ছে, এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় প্রাণ হারান ৮৬ বছর বয়সী খামেনি। খবর আলজাজিরার।

খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা হবে মোট ছয়টি শহরে। এর মধ্যে ইরাকের কারবালাও রয়েছে। ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান কারবালাকে শিয়া মুসলিমরা পবিত্র শহর হিসেবে বিবেচনা করেন।

প্রসঙ্গত খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে আগামী শনিবার ৪ জুলাই। এদিন রাজধানী তেহরানের নির্মাণাধীন ইমাম খোমেনি মসজিদ কমপ্লেক্সে তার মরদেহ রাখা হবে। এরপর সোমবার (৬ জুলাই) তেহরানের প্রধান প্রধান সড়ক দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে তার নিথর দেহ।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। এরপর যথাক্রমে নাজাফ এবং ইরাকের কারবালায় নেওয়া হবে। কারবালা থেকে ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে নেওয়া হবে তার মরদেহ। সেখানেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিদেশি প্রতিনিধিরা তার শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ধারণা করা হচ্ছে, খামেনিকে বিদায় জানাতে দুই কোটির বেশি মানুষ জড়ো হতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা আছে।

অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে অংশ নেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইরান। তবে তার যাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে।

 

Share





Related News

Comments are Closed