Main Menu

সিলেটে ছাত্রদল-ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, সাংবাদিক আহত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীর চৌহাট্রা এলাকায় ছাত্রদল-ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এসময় চৌহাট্টা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দিগি¦দিক ছুটতে থাকেন সাধারণ মানুষ। এসময় একজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সাইফ মাহমুদ জুয়েলের শাস্তির দাবিতে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ মিছিল বের করে। নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে তারা মিছিলটি বের করে কোর্ট পয়েন্ট ঘুরে আবার চৌহাট্টায় ফিরে যায়।

একইসময় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা ছাত্রদলের একটি মিছিলও আলিয়া মাদরাসার সামন থেকে বের হয়। মিছিল শেষে আলিয়া মাদরাসার গেটের সামনে অবস্থান করছিলেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল মুখোমুখি হলে দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় ছাত্রলীগের ধাওয়া খেয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আলিয়া মাদরাসার ভেতরে ঢুকে পড়েন।

খবর পেয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম জানান, মিছিল নিয়ে তারা চৌহাট্টায় যাওয়ার পর সেখানে ছাত্রদলের কয়েকজন সন্ত্রাসী তাদের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

পাল্টা অভিযোগ করেছেন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি আহসান। তিনি বলেন বিকেল ৪টার দিকে জেলা ছাত্রদলের প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন শেষে কিছু নেতাকর্মী আলিয়া মাদারাসার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে খোশগল্প করছিলেন। তখন পেছন দিক থেকে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এবং এক সাংবাদিককে মারধর করে।

এদিকে, দু’পক্ষের সংঘর্ষকালে পেশাগত দাযিত্ব পালনকালে কয়েকজন যুবক ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেটের সভাপতি চ্যানেল এস সিলেটের প্রধান প্রতিবেদক মইন উদ্দিন মঞ্জুর উপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা সাংবাদিক মঞ্জুর হাতের মোবাইল ফোন ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, উত্তেজনার খবর পেয়ে দ্রুত আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।

তবে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাউকে পাইনি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।

Share





Related News

Comments are Closed