Main Menu

ধর্মপাশায় জালমহালে বিষ প্রয়োগে মাছ মারার হিড়িক

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় রাতের অন্ধকারে জলমহালে কীটনাশক (বিষ) প্রয়োগ করে মাছ ধরতে গিয়ে ধরা পড়েছে একটি চক্রের সদস্য। উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ওই চক্রের মাছ ধরার একটি খনা জাল আটক করে গ্রামবাসী।

এব্যাপারে গ্রামবাসীর পক্ষে সাবেক ইউপি সদস্য বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা যায়, উপজেলার বাখরপুর গ্রামে সংঘবদ্ধ একটি চক্র রাতের অন্ধকারে সরকারী ইজারাকৃত ও বেসরকারী জলমহালে বিষ প্রয়োগ করে দেশীয় প্রজাতির বড় মাছসহ ডিমওয়ালা মাছের বংশ ধ্বংস করছে। তারই ধারাবাহিকতায় বাখরপুর গ্রাম সংলগ্ন মনাই নদীতে বিষ প্রয়োগ করে অর্ধলক্ষাধিক টাকার মাছ ধরে বিক্রি করে চলে যাওয়ার সময় গ্রামবাসী প্রতারকদের খনা জালটি আটক করে।

বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে বাদী হয়ে ওই গ্রামের বিষ প্রয়োগকারী ৮জনকে দায়ী করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগকারী বাখরপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য খোকন মিয়াসহ গ্রামবাসী জানান, অভিযুক্তরা হচ্ছেন বাখরপুর গ্রামের প্রতারক ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের ১৩ নম্বর পিআইসি ও বাখরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র আলাল মিয়া, মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে অলী উল্লাহ্, মলি উল্লা, মৃত খোরশেদ আলীর পুত্র নুর মিয়া, কৃষ্ণ মোহনের পুত্র পুলক তালুকদার, আব্দুল হাই এর পুত্র রুবেল, লুৎফর রহমানের পুত্র খলিলুর, পিতা মৃত আকবরের পুত্র জসিম মিয়া।

গত মঙ্গলবার ভোররাতে অভিযুক্তরা গভীর রাতে মনাই নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার সময় গ্রামবাসীর ধাওয়া করে। এসময় তাদের ব্যবহারের খনা জাল ফেলে যায়।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মুনতাসির হাসান জানান, জয়শ্রী ইউপির বাখরপুর গ্রামবাসীর পক্ষে খোকন মিয়া বাদী হয়ে, মনাই নদীতে বিষ প্রয়োগকারী ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সরেজমিন পরিদর্শনে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share





Related News

Comments are Closed