Main Menu

শাবিতে পুলিশী হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রাক্তন ছাত্রনেতৃবৃন্দ

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শাবিতে পুলিশী হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শাবির প্রাক্তন প্রগতিশীল ছাত্রনেতৃবৃন্দ। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে সাবেক নেতৃবৃন্দ বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে ইতিমধ্যে সমগ্র দেশ অবহিত হয়েছে। শাবিপ্রবির সিরাজুন্নেসা হলের চূড়ান্ত অব্যবস্থাপনা, প্রভোস্টের অসহযোগিতা এবং অশালীন আচরণের বিরুদ্ধে প্রভোস্টের পদত্যাগসহ ৩ দফা দাবিতে ছাত্রীদের মধ্যে আন্দোলন গড়ে উঠে। শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলনে কোন প্রকার উস্কানি ছাড়াই প্রক্টরের উপস্থিতিতে সরকারী দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ হামলা করে।

Manual2 Ad Code

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা হামলার শিকার হয়ে পুনরায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু গত ১৬ জানুয়ারি তারিখে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে প্রশাসনের নির্দেশে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে নৃশংস কায়দায় শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের রক্তে ভেসে যায় শাবিপ্রবির ক্যাম্পাস। আমরা বিস্মিত হয়ে লক্ষ্য করলাম দফায় দফায় পুলিশি হামলার পরেও শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা কিংবা কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হয়ে মিডিয়ার সামনে মিথ্যাচার করে গেছেন। আমরা মনে করি ক্যাম্পাসের ছাত্রদের উপর পুলিশের নির্বিচার লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও গুলি ছোড়ার নির্দেশ প্রদান করে উপাচার্য শাবিপ্রবির অভিভাবকত্বের মর্যাদা হারিয়েছেন। তাঁর এই ঘৃণ্য কর্মকান্ড অতীতের যে কোন বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। আমরা দাবি জানাই, অবিলম্বে হামলার দায় স্বীকার করে ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নির্মাণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে বর্তমান উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হবে। আমরা বলতে চাই একটা স্বায়ত্ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে পুলিশি হামলার নির্দেশ দিয়ে, ছাত্রলীগকে লেলিয়ে দিয়ে পুরো প্রক্টরিয়াল বডি বিশ্ববিদ্যালয় ধারণার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছেন। শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করেছেন। আমাদের দাবি, সমস্ত ঘটনার পূর্বাপর দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডি পদত্যাগ করবেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি; বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহের অব্যবস্থাপনা দূর করা, ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব মুক্ত করা ও সকল শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল নির্মাণ করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সুতরাং আমরা দ্ব্যার্থহীনভাবে বলতে চাই ছাত্রীদের আন্দোলন সম্পূর্ণ যৌক্তিক এবং আমরা এই চলমান আন্দোলনের সাথে সংহতি জ্ঞাপন করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নির্মাণে শিক্ষার্থীদের বলিষ্ঠ এবং সাহসী ভূমিকাকে আমরা রক্তিম অভিবাদন জানাই।

বিবৃতিদাতা হলেন, ছাত্র ফ্রন্টের সাবেক আহবায়ক লাভলী তালুকদার, মাসুক মিয়া মামুন (প্রবাসী), সাবেক সাধারণ সম্পাদক চয়ন কান্তি দাস, সাবেক আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সদস্য মোঃ জহিরুল ইসলাম, ফয়েজ আহমেদ রাজীব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হোসেন, সাবেক সদস্য পুলক রঞ্জন তালুকদার, পলাশ চক্রবর্তী, সাবেক সভাপতি সত্যজিৎ দত্ত পুরকায়স্থ, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বী চৌধুরী ওয়াফি, সাবেক আহবায়ক কপিল রায়, ছাত্র ফ্রন্টের সাবেক আহবায়ক তামান্না আহমেদ, কাজল দাস, শুভাশিস দাশ শুভ, মিরাজ মাহমুদ, ফারহানা এপি, অনীক ধর ব্যাংকার, সাবেক আহবায়ক অপু কুমার দাস, সাবেক সদস্য সুদীপ্ত বিশ্বাস, রিশতা রাহী, সাবেক সভাপতি নাজিরুল আযম আবীর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মইনুদ্দিন মিয়া, সাবেক সহ সভাপতি তৌহিদুজ্জামান জুয়েল, জয়দীপ দাশ, সুধীন্দ্র কুমার সিংহ, মাহমুদুল হাসান রাফি, টুনি আহমেদ, উজ্জ্বল শীল, রুবাইয়াৎ আহমেদ, রাসেল রানা।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code