Main Menu

জৈন্তাপুরের স্যান্ডমার্ক’র চেয়ারম্যানসহ ৩ জন জেলে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জৈন্তাপুরের স্যান্ডমার্ক এগ্রোফার্ম লিমিটেড’র এমডি ইয়াসমিন আক্তারের দায়ের করা জালিয়াতির মামলায় কোম্পানীর চেয়ারম্যান সুনীল নাথ সহ তিনজনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরন করেছে আদালত। তবে এ মামলার আসামি এএইচএম শাহ আলমকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

আইনজীবিরা জানিয়েছেন- জৈন্তাপুরের ভিত্রিখেল গ্রামের স্যান্ডমার্ক এগ্রোফামের চেয়ারম্যান সুনীল নাথ, পরিচালক বিবেকানন্দ নাথ ও রানা নাথ ২০১৯ সালের ২২ জানুয়ারি এমডি ইয়াসমিন আক্তারকে অবগত না করেই জালিয়াতির মাধ্যমে কোম্পানীর শেয়ার বিক্রি করে দেন। ওই সময় জালিয়াতির কাগজের মাধ্যমে শেয়ার ক্রয় করেন সিলেট নগরের পূর্ব পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা হাজী আব্দুস শুকুর, গোলাম রব্বানী ও এএইএম শাহ আলম। এ ঘটনার পর এমডি ইয়াসমিন আক্তার বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত করে প্রায় দুই মাস আগে গোয়েন্দা পুলিশ চার্জশিট দাখিল করলে আদালত অভিযুক্ত ৬ আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। রোববার বিকেলে আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে কোম্পানীর জাল কাগজপত্র সৃজনকারী চেয়ারম্যান সুনীল নাথ, পরিচালক বিবেকানন্দ নাথ ও রানা নাথকে কারাগারে প্রেরন করেন।

ওই তিন আসামি ইতিপূর্বেও জালিয়াতির ঘটনায় কারাগারে ছিলেন। এছাড়া- আসামি হাজী আব্দুস শুকুর ও গোলাম রব্বানী আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবি এডভোকেট নুর আহমদ জানিয়েছেন- মামলা দায়েরের পর চার্জশিটেও ছয় আসামি অভিযুক্ত হন। এরপর রোববার চার জন হাজির হলে আদালত তিনজনকে কারাগারে প্রেরন ও একজনকে জামিন দিয়েছেন।

মামলার বাদি ইয়াসমীন আক্তার জানিয়েছেন- আমার স্বামীর মৃত্যুর পর আসামিরা নানা ভাবে কয়েক কোটি টাকার এই প্রকল্প আত্মসাতের চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা প্রকল্প এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল।

Share





Related News

Comments are Closed