Main Menu

প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ড : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিকল্পিতভাবে একের পর এক অঘটন ঘটানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, অনেক লোক মিয়ানমারে ফেরত যেতে চায় না, তাদের স্বার্থে আঘাত লাগে, তারা হয়তো রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সকালে সিলেটে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

তবে, এবিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানেন না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা পুরো বিষয়টা খোঁজখবর নিচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে যাতে আইনশৃঙ্খলা আরো উন্নত করা যায়, সে বিষয় নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার একটা সভা হয়েছে। এরপরও আজকে এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেল। ব্রাশফায়ার করে ৭ জনকে হত্যা করা হলো, এটা খুবই আতঙ্কের বিষয়।

ড. মোমেন বলেন, বিভিন্ন লোকে বলছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদকের ব্যবসা ও অস্ত্রবাণিজ্য হয়।

আমরা এসব নিয়ে আলোচনা করেছি। আমার প্রস্তাব হলো, এই ড্রাগ ও অস্ত্র পুরোপুরি বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনে গুলি ছুঁড়তে হবে।

এদিকে, তিস্তার পানি হুট করে বাংলাদেশে ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমাদের স্বরাষ্ট্রসচিব ভারতীয় হাইকমিশনের সাথে আলাপ করবেন।

তিনি বলেন, পানির বিষয়টি ভারত আগে আমাদেরকে জানিয়েছিল কিনা, আমি জানি না। তবে একাধিক বিষয় নিয়ে হাইকমিশনারের সাথে আলাপ-আলোচনা হবে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সরকারি সম্পর্ক খুবই দৃঢ় বলে জানান মন্ত্রী।

দুইদিনের সফরে শুক্রবার সকালে সিলেট আসেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী। সিলেটে এসে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ ও জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আয়োজনে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সিলেট জেলায় জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী।

এরপরই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঘটনায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মাদরাসায় আজ শুক্রবার ভোরে গুলি করে ৭ জনকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতরা সবাই ওই ক্যাম্পের এইচ-৫২ ব্লকের ‘দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়াহ’ মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র বা ভলান্টিয়ার।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কুতুপালং-১ (ইস্ট) লম্বাশিয়া ক্যাম্পের ডি-৮ ব্লকে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস নামের একটি সংগঠনের চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 

 

 

 

 

Share





Related News

Comments are Closed