Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে করোনায় আরো ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭         সিলেটে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, বৃদ্ধ খুন         নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ         জৈন্তাপুরে হিন্দু-বৈদ্য খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ         বিশ্বনাথে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতৃবৃন্দের মধ্যে ফরম বিতরন         বিশ্বনাথে সাইফুলের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল         ছাতকে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল         ছাতকে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার         বিশ্বনাথে দুই হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাইফুল গ্রেপ্তার         কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু         গোলাপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার         শান্তিগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু        

বিশ্বনাথে জমিতে পোকা নিধনে ‘আলোক ফাঁদ’

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে পোকা-মাকড় নিধনের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ‘আলোক ফাঁদ’র (লাইট ট্র্যাপ) ব্যবহার বেড়েছে উপজেলায়। ফসলি জমি পোকামুক্ত করতে কীটনাশকের বিকল্প এ প্রদ্ধতি কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ফসলের মাঠে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি যাচাই ও নিয়ন্ত্রণ করছেন তারা। স্বল্প খরচের এ কৌশল ব্যবহারে একদিকে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন কৃষককূল, অন্যদিকে ক্ষতিকর কীটনাশক থেকে রক্ষা পাচ্ছে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে চলতি বছরে আমন ধানের আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৫ হেক্টর। গত বছরও ছিল একই লক্ষমাত্রা।

এবার ফসলি ক্ষেতের ক্ষতিকারক পোকা নিধনে উপজেলার ২৪টি ব্লকের সব ক’টিতেই ১০টি করে ২৪০টি ‘আলোক ফাঁদ’ বসানো হয়েছে। সপ্তাহে একদিন (প্রতি বুধবার) এর মাধ্যমে পোনা দমন করছেন কৃষকরা। পাশাপাশি ৮০ শতাংশ জমিতে পার্চিং পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, আমন ধানের আবাদি জমির ফাঁকা স্থানে আলোক ফাঁদ তৈরি করেছেন কৃষকরা। বাঁশের তিনটি খুঁটি ত্রিকোনাকার করে মাটিতে পুঁতে, খুঁটির মাথায় ঝুলিয়ে রাখা বৈদ্যুতিক বাল্ব। এর নীচে রাখা পাত্র।

এতে কেউ রেখেছেন ডিটারজেন্ট মিশ্রিত কেউবা কেরোসিন মিশ্রিত পানি। অনেকে আবার হারিকেন ও সৌর বিদ্যুতের বাতি জ্বালিয়ে ফাঁদ তৈরি করেছেন।

সন্ধ্যা নামলেই ‘আলোক ফাঁদ’র আলোয় আলোকিত হয় ক্ষেতের আইল। তখন জ্বলমলে আলোয় আকৃষ্ট হয়ে, পোকা-মাকড় উড়ে এসে পাত্রে রাখা পানিতে পড়ে মারা যায়। এছাড়াও একাধিক কৃষকের ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে দেখা যায়।

গাছের ডাল ও বাঁশের কঞ্চি ক্ষেতে পুঁতে রেখেছেন তারা। এগুলোতে পাখিরা বসে সাবাড় করবে ক্ষেতের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড়।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষক জাবের আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, আলোক ফাঁদ ব্যবহারে, স্বল্প খরচে আমরা ফসলের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় দমন করতে পারছি। এতে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি ও আর্থিক ভাবে সাশ্রয় হচ্ছে আমাদের।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের বলেন, ধানের জমিতে ক্ষতিকারক পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদের বিকল্প নেই।

এর মাধ্যমে জমিতে কী কী ক্ষতিকর ও উপকারি পোকা-মাকড় রয়েছে তা শনাক্ত করে ক্ষতিকর পোকা নিধনে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

0Shares





Related News

Comments are Closed