Main Menu

ঢাবির শরৎ ও শীতকালীন ছুটি বাতিল

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চলমান মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে শিক্ষার্থীদের জীবনে নেমে এসেছে সেশনজট নামক কালোছায়া। তাই সেশনজট নিরসনের উপায় খুঁজে বের করেছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ।

সেশনজট নিরসনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ক্যালেন্ডারের শরৎ ও শীতকালীন ছুটি বাতিল করেছে।

Manual8 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২১ সালের ১২ থেকে ১৫ অক্টোবর, লক্ষ্মী পূজা উপলক্ষে ১৯ অক্টোবর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ও যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিবস উপলক্ষে ২৫ ডিসেম্বরের ছুটি যথারীতি বহাল থাকবে।

এদিকে করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর শর্তসাপেক্ষে আবাসিক হল খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। তারই ধারাবাহিকতায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সেইসঙ্গে ক্যাম্পাস খোলা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা কীভাবে চলাফেরা করবেন, সে বিষয়ে একটি নীতিমালাও ইতোমধ্যে তৈরি করেছে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের কিছু নির্দেশনা মানতে হবে। এগুলোর মধ্যে আছে কক্ষের ফ্লোরে ঘুমানো যাবে না, রুমের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বড় রুমে সর্বোচ্চ চার জন শিক্ষার্থী থাকতে পারবে। কক্ষের বাইরে গেলে মাস্ক পরতে হবে, কোনো অতিথি আনা যাবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, হাঁচি-কাশির ক্ষেত্রে কনুইয়ের ভাঁজ বা টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢাকতে হবে।

Manual5 Ad Code

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণরুম না রাখার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারই ধারাবাহিকতায় গণরুমগুলোতে বসানো হচ্ছে খাট। শিক্ষার্থীরা হলে আসার আগেই তাদের জন্য বরাদ্দ করা হচ্ছে সিট।

গণরুমের বিষয়ে প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির সংবাদমাধ্যমকে বলেন, হলগুলোতে এখন আর গণরুম থাকবে না। ইতোমধ্যে আমরা গণরুমের শিক্ষার্থীদের তালিকা করে ফেলেছি, তাদের জন্য সিটও বরাদ্দ চলছে। সিটের তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা রুমে উঠবে। আর কোনো শিক্ষার্থী ফ্লোরে ঘুমাবে না, অবশ্যই একটা খাট নির্ধারিত থাকবে।

Manual1 Ad Code

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর শুধুমাত্র বৈধ শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট হলের নীতিমালার আলোকে হলে অবস্থান করতে পারবেন। যাদের ছাত্রত্ব নেই, তারা কোনোভাবেই হলে অবস্থান করতে পারবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রভোস্ট কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আবাসিক হলে কোনো অছাত্র কিংবা বহিরাগত থাকতে পারবে না। শুধু বৈধ শিক্ষার্থীরা হলে থাকবে। যাদের হলে থাকার বৈধ অধিকার নেই তারা হলে থাকতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনোভাবেই তাদের অনুমতি দেবে না। ছাত্রত্ব নেই কিন্তু হলে উঠবে এই রকম চিন্তা যেন কেউ মাথায় না রাখে। যাদের রুমে অবৈধ বা প্রাক্তন শিক্ষার্থী থাকবে তাদের দায়িত্ব হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো। এরকম কোনো তথ্য পেলে বিশ্ববিদ্যালয় তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।

কোনো শিক্ষার্থী যদি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়, তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কোয়ারেন্টাইনে রাখার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যদি আক্রান্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে যায়, সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের অতিথি কক্ষগুলোকে কোয়ারেন্টাইনের জন্য ব্যবহার করা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে একটি পরিকল্পনা করেছে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে, হল প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে টিকা নিতে বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির দিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে হল খোলার সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।

 

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code