Main Menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রলারডুবি, ১৯ মরদেহ উদ্ধার

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাল্কহেডের ধাক্কায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে অর্ধশতাধিক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের চম্পকনগর থেকে শুক্রবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসা ট্রলারটি শহরের আনন্দ বাজার ঘাটের দিকে যাচ্ছিল। পথে একটি বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় বেশ কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও পানিতে ডুবে যান অনেকে।

Manual6 Ad Code

স্থানীয়রা বলেন, বালুর ট্রলার ধাক্কা মারার পর ট্রলারটি ডুবে যায়। আমরা এলাকাবাসী সাথে সাথে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রায় ১০ জনের লাশ উদ্ধার করেছি।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আসার আগেই উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন স্থানীয়রা। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একে একে বেশ কয়েকটি লাশ উদ্ধার হয়। এখনো নিখোঁজ আছেন বেশ কয়েকজন।

Manual3 Ad Code

এদিকে, নিখোঁজদের সন্ধান পেতে বিলের পাড়ে ভিড় করেন স্বজনরা। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে আশপাশের পরিবেশ।

Manual8 Ad Code

আহাজারিরত স্বজনরা বলেন, আমার বোনের নতুন বিয়ে হয়েছে। তার স্বামীর মরদেহ খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু বোনের মরদেহ এখনো পাইনি। আমার একটাই বোন।

আঁখি আখতার নামের এক যাত্রী বলেন, বিজয়নগরের চম্পকনগর থেকে বিকেল সাড়ে ৪টায় অন্তত ৭০ জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসে ট্রলারটি। নৌকায় করে আমি, আমার ছেলে, ভাসুরের ছেলে ও শাশুড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসছিলাম। পথে একটি বালুবোঝাই ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে আমাদের ট্রলারটি ডুবে যায়। আমি সাঁতরে কূলে উঠতে পারলেও আমার ছেলে, ভাসুরের ছেলে ও শাশুড়ির এখনও সন্ধান পাইনি।

সন্ধ্যার পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। দুর্ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করার কথা জানান তারা। পাশাপাশি নিহতের দাফন ও আহতদের চিকিৎসার আশ্বাস দেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code