Main Menu

চট্রগ্রামে ভয়ংকর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত ব্যবসায়ী

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামে ভয়ংকর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন আরও একজন (৪০) রোগী। কর্ণফুলী উপজেলার বাসিন্দা ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী এই রোগী করোনার দুই ডোজ টিকাও নিয়েছিলেন এবং তিনি করোনায় আক্রান্তও ছিলেন না! কিন্তু তারপরও তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

গত শুক্রবার (৬ আগস্ট) থেকে ওই রোগী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সুযিত পাল জানান, চোখ ও দাঁতের ব্যথা নিয়ে ভুগতে থাকা ওই ব্যক্তির ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ ধরা পড়ে। পরে ৫ আগস্ট পরীক্ষার রিপোর্টে তা শনাক্ত হয়। পরদিন ৬ আগস্ট থেকে মেডিসিন বিভাগে ওই রোগী চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রোগীর স্বজনরা জানান, এই রোগের প্রধান ওষুধ ইনজেকশন অ্যামফোটেরিসিন-বি। তবে এই ইনজেকশনের দাম যেমন আকাশ ছোঁয়া তেমনি অপ্রতুলও। ফলে রোগীর চিকিৎসায় হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

চিকিৎসকরা জানান, এই রোগীকে প্রতিদিন ৬ ভায়াল করে ১৪ দিন অ্যামফোটেরিসিন-বি ইনজেকশনটি দিতে হবে। যার প্রতি ভায়ালের মূল্য ১৫ হাজার টাকা করে হলে দিনেই ব্যয় ৮৪ হাজার টাকা। তাও এই ইনজেকশন আনতে হয় ভারত থেকে। এছাড়া অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয়তো আছেই।

চিকিৎসকদের মতে, ব্ল্যাকফাঙ্গাসের চিকিৎসা মূলত নির্ভর করে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর। সে জন্য কিছু ওষুধ আছে, আবার তীব্রতা বেশি হলে ইনজেকশন প্রয়োগ হয়। এই চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম বেশি হওয়ায় এবং রোগীর নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয় বলে এই চিকিৎসা ব্যয়বহুল।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত মাসে চট্টগ্রামে ৬০ বছর বয়সী এক নারীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়।

Share





Related News

Comments are Closed