Main Menu
শিরোনাম
গোলাপগঞ্জে ৩৩ কেন্দ্রে দেয়া হবে করোনার টিকা         শাহজালাল সার কারখানার ৩৯ কোটি টাকা আত্মসাত, দুদকের মামলা         সিলেটে জেলা-ব্র্যান্ডিং নিয়ে অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মশালা         গোলাপগঞ্জে ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিসের উদ্বোধন         সেই প্রবাসী নারী লন্ডনের উদ্দেশ্যে সিলেট ছেড়েছেন         জগন্নাথপুরে স্বামীর মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যে স্ত্রীর মৃত্যু         গোলাপগঞ্জের শায়খ আব্দুল কুদ্দুছ আর নেই         সিলেটে করোনায় রেকর্ড ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭১৫         ভোলাগঞ্জ দিয়ে ফের ভারত থেকে আসবে পাথর         বিশ্বনাথে বাঁশের সাঁকো আর সেতু হয় না         জকিগঞ্জে জুয়ার আসর থেকে গ্রেফতার ১২         সেই আতিয়া মহল থেকে ৪ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার        

লাইফ সাপোর্টে ফকির আলমগীর

বিনোদন ডেস্ক: করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) থেকে রোববার (১৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা তাকে লাইফ সাপোর্টে নেন।

গণমাধ্যমকে তার ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, কিছুক্ষণ আগে বাবার অক্সিজেন ৪৫–এ নেমে আসে। যার কারণে চিকিৎসকেরা তাকে ভেন্টিলেশন নেওয়ার পরামর্শ দেন। ভেন্টিলেশনে নেওয়ার পর থেকে ফকির আলমগীরের অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯০ -তে উন্নীত হয়েছে।

এর আগে মাশুক জানিয়েছিলেন, তার বাবার ফুসফুস ৬০ শতাংশ সংক্রমিত। স্বাভাবিক নিয়মে তাকে খাবার খাওয়ানো যাচ্ছে না।

গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরকে ভর্তি করা হয়। তার আগে কয়েক দিন ধরে ফকির আলমগীর জ্বর ও খুসখুসে কাশিতে ভুগছিলেন। পরে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো কোভিড-১৯ পরীক্ষা করিয়ে জানতে পারেন, তিনি করোনা পজিটিভ। সেদিনই তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

পরে গ্রিনরোডের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই সময় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) প্রয়োজন পড়লে সেখান থেকে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ফকির আলমগীর ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে তাকে বহুবার দেখা গেছে। তিনি ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন এ গণসংগীত শিল্পী। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। তিনি একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।

স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়।

জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয় পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed