Main Menu

নিউইয়র্কে সাংবাদিক জুয়েল সাদতকে নিয়ে সুহৃদ সমাবেশ

Manual2 Ad Code

প্রবাস ডেস্ক: গত শনিবার ১০ জুলাই নিউইয়র্কের বাংলাদেশ প্লাজাতে সাংবাদিক জুয়েল সাদাত কে নিয়ে বসেছিল সুহৃদ সম্মেলন।

Manual6 Ad Code

সেখানে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কের সিলেট অঞ্চলের লেখক সাংবাদিক ও নানা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আয়োজনে ছিল নিউইয়র্কের লেখক সাংবাদিক ও সমাজসংগঠকবৃন্দ।

উত্তর আমেরিকার সাংবাদিক ও টিভি এ্যাংকর জুয়েল সাদতকে সম্মান জানাতে সন্ধ্যা ৭ টায় সবাই বাংলাদেশ প্লাজাতে জড়ো হন।

আড়াই ঘন্টা ব্যাপী সেই সুহৃদ সম্মেলনটি একটি মিলন মেলাতে রুপ লাভ করে।

চমৎকার ঘোছানো সেই প্রানবন্ত অনুষ্টানটি সঞ্চালন করেন প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকার আবাসিক সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন।

অনুষ্টানের মধ্যমনি সিলেটের মুক্তিযুদ্ব পরবর্তি সময়ের প্রথম পৌরসভার চেয়ারম্যান্ মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুল। বাবরুল হোসেন বাবুল বলেন, দেশে বিদেশে সিলেটের লোাকজনদের অবদান রয়েছে। নানা বৈশম্যের স্বীকার সিলেট অঞ্চল আজও অবহেলিত। ভাল সাংবাদিকরা রাজনীতিবিদের শুন্যতা পুরন করেন। জুয়েল তাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

জননেতা বাবরুল হোসেন বাবুল, আরো বলেন আমাদের দেশে আজ একটি আই ডি কার্ড আছে। সেটার জন্য্ আমাদের চল্লিশ বছর অপেক্ষা করতে হল । বিদেশে সাহিত্য্ সাংবাদিকতায় সিলেটের প্রতিনিধিত্ব আমাদের আশা জাগায়, কমিউনিটিতে ও মিডিয়াতে জুয়েলের অবদান অনুকরনীয়। তিনি সাদা কে সাদাই বলেন যা এই সময়ে বিরল।

Manual5 Ad Code

নিউইয়র্কের বাংলাদেশ প্লাজাতে সন্ধ্যা সাতটায় সাংবাদিক জুয়েল সাদাত কে ঘিরে “সুহৃদ সম্মেলনে”র মুক্ত আলেচনায় বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ জাতীয় পার্টিরর সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা লুতফুর রহমান চৌঃ হেলাল বলেন,তিনি সাংবাদিকতায় সিলেটের পুর্বসুরিদের অনুসরন করছেন। এত কম বয়সে, এত ডায়নামিক কাজ সাধুবাধ পাবার যোগ্যতা রাখে।

সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক ও লেখিকা শামসাদ হুসাম চৌধুরী বলেন, জুয়েল সাদত কে চিনি আড়াই দশক। তিনি অনেক ভাল মানের একজন লেখক ও সাংবাদিক। লেখালেখিটাকে ধরে রেখেছেন সমান তালে, যা প্রবাসে অসম্ভব। উনার দেশপ্রেম ও কমিটমেন্ট অনুকরনীয়। অনুষ্টানে মুক্ত আলোচনায় জালালাবাদ এসোসিযেশনের সভাপতি ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল বলেন, করোনা কালীন সংকটময় মুহুর্তে যে নতুন ধারার সাংবাদিকতা আমরা দেখেছি সেখানে জুয়েল সাদতের ভুমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। নিউইয়র্কের সিনিয়র সাংবাদিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা সাংবাদিকরা কমিটমেন্ট থেকে কাজ করি সমাজের জন্য । জুয়েল সাদত সেই রকম একজন সংবাদকর্মি। যিনি ফ্লোরিডা থেকে সারা আমেরিকায় ভুমিকা রাখছেন।

সিলেট সদর এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মালেক খানঁ (লায়েক) বলেন, করোনা কালীন কঠিন সময়টার পর প্রথম জুযেল সাদতকে সামনে রেখে এই সুন্দর আয়োজন টা একটি মাইল ফলক। আমরা অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলাম। জুয়েল কর্মের মাঝে বেঁচে থাকবেন।

Manual6 Ad Code

নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা জনাব শাহিন আজমল বলেন, জুয়েল সাদতকে চিনতাম না। উনার “জীবনের গল্প” নামক টিভি শো-টা আমি দেখে আভিভুত। কতটুকু সচেতন সাংবাদিক হলে একজন মানুষের ভেতরেরটা তুলে ধরতে পারেন। তিনি একজন সত্যবাদী সাংবাদিক, যা ধারন করেন তাই বলেন।

সিলেট সদর এসোঃ সাবেক সভাপতি জনাব মামুন আহমদ বলেন, আমি লেখালেখি করতে চেষ্টা করে হোঁচট খেয়েছি৷ যারা সাংবাদিক লেখক তারা সমাজের দর্পন। জুয়েল সাদাত একজন আলোকিত সাংবাদিক।

রোটারী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক সিকদার আহমেদ সাকের বলেন, নিউজার্সি থেকে আসলাম জুয়েল সাদতকে সম্মান জানাতে ৷ বহুমাত্রিক জুয়েল সাদতের কর্মের পরিধি ব্যাপক । আমেরিকার কঠিন জীবন জুয়েলকে আটকে রাখতে পারেনি।

প্রথম আলোর সাংবাদিক মাহবুব রহমান বলেন , লেখক সাংবাদিক জুয়েল সাদতের প্রতি শুভ কামনা৷

ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যাপক লেখক সাব্রে সাবেরীন বলেন, জুয়েল সাদতের অনেক প্রকাশনা অনুষ্টানে ছিলাম। চেনা ও জানারও আড়াই দশক। জুয়েল সরকারী চাকুরী করে এসেছেন। সব জায়গাতে তার সফলতা ছিল,আছে আজও । সিলেট সদর এসোসিয়েশনের ট্রেজারার আব্দুল হাফিজ আব্দার বলেন, জুয়েল সাদতের জন্মের দিন থেকে পরিচিত। তার সবটুকুই আমার জানা। সে খুব সাহসি একজন সাংবাদিক। সত্য কে সত্যই বলে সব সময়।

অধ্যাপক আমিনুল হক চুন্নু বলেন, সিলেটে ৯০ দশকে যে কজন সাংবাদিক ও সংগঠক চোখে পড়ার মতো ছিল, তাদের মধ্যে জুয়েল সাদাত উল্লেখ যোগ্য। সাংবাদিক ও নারী নেত্রী আম্বীয়া অন্তরা বলেন, প্রথম দেখলাম জুয়েল সাদতকে, উনার সফলতায়পুর্ন কর্মের সাথে পরিচিত অনেক দিনের। বাংলাদেশ আমেরিকান প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মনজুরুল হক মন্জু বলেন, তিনি প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকার আমাদেরই পরিবারের উল্লেখযোগ্য একজন ফ্রন্ট লাইনার। করোনা স্পেশালিষ্ট ডাঃ আমানুর রহমান বলেন, জুয়েল সাদাত করোনাকালীন সময়ের সাংবাদিকতার ষ্টার।

মেইন ষ্ট্রীম পলিটিশিয়ান হাসান আলী বলেন,প্রথম দেখা, তিনি একজন মানবিক পুরুষ। অনেক কিছু করেন একসাথে, যা অনেকেই পারবেন না । কমিউনিটি একটিভিষ্ট শাহান মজুমদার বলেন, করোনা কালিন নতুন সমাজে জুয়েল সাদাত অনলাইন টিভি সাংবাদিকতায় যে ভুমিকা রেখেছেন তা ইতিহাস মুল্যায়ন করবে।

কমিউনিটি একটিভিষ্ট মোস্তফা জাকারিয়া পলাশ বলেন,এম সি কলেজ থেকে চিনি। তার ব্যাপক কর্মত্যপরতা পরিধি ও প্রফেশনালিজম এই সমাজে বিরল।

কানাডার আজকাল টিভির এ্যাংকর মাসুমুর রহমান বাপ্পী বলেন, আমার সাথে জুয়েল সাদতের পরিচয় দীর্ঘদিনের। তিনি একজন চম্যকার কমিউনিটি এাটিভিষ্ট, অনলাইন টিভি মাধ্যমে তিনি একজন আইকন।

Manual1 Ad Code

অসাধারন প্রানবন্ত সুহৃদ সম্মেলনটি সন্ধা সাড়ে সাতটা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত চলে।

নিউ ইয়র্কের লেখক, সাংবাদিক,সাহিত্যিক, সংগঠকদের সাথে জুয়েল সাদতের সুহৃদ সম্মেলনে সিলেট ছাড়াও নানা শহরের মানুষ যুক্ত হন।

করোনা পরবর্তি সময়ে একটি প্রানবন্ত আড্ডা সকলের নিকট দাগ কাটে।

মুক্ত আলেচনায় বর্ষিয়ান রাজনীতিদ বাবরুল হোসেন বাবুলের চমৎকার আলোচনা ছিল মুল আকর্ষন। তিনি চমৎকার ভাবে পুরো অনুষ্টানটাকে জমিয়ে রাখেন।

অনুষ্টানের শেষ পর্যায়ে জুয়েল সাদাত বলেন,আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের খেলাকে উপেক্ষা করে,যারা দুর দুরান্ত থেকে এই সুহৃদ সমাবেশে আসলেন তাদের জন্য্ ঋন স্বীকার। জীবনে চেষ্টা করেছি ভাল কিছু করার, কতটুকু করেছি জানিনা তবে আমি আভিভুত। মানুষের ভালবাসা পাওয়াটাও সৌভাগ্যের, সেটা আমার দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়। যে মাধ্যমে কাজ করি, ভালটাই করি। অনলাইন টিভিতে যে সাংবাদিকতা করি সেটাতেও প্রফেশনালিজম দেয়ার চেষ্টা করি। তিনি আরো বলেন, এ সম্মান জীবিত অবস্থায় জীবনের একটি সর্বোচ্চ অর্জন।

অনুষ্টানের শেষ পর্যায়ে ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্টানের সমাপ্তি টানা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code