Main Menu

বিশ্বসেরা ১০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশি অনন্যা

প্রযুক্তি ডেস্ক: বিশ্বসেরা ১০ বিজ্ঞানীর তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশি তরুণী তনিমা তাসনিম অনন্যার নাম। সায়েন্স নিউজ-এর বিচারে কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার জন্য ‘এসএন টেন : সায়েন্টিস্ট টু ওয়াচ’ নামের ওই তালিকায় জায়গা পান অনন্যা।

সায়েন্স নিউজের ওয়েবসাইটে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমটি ষষ্ঠবারের মতো এমন বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করলো।

জানা যায়, কৃষ্ণগহ্বরের নিখুঁত ছবি করেছেন অনন্যা। গবেষণার এ কাজকে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে বাংলাদেশি এই তরুণীর কাজকে ‘অসাধারণ গবেষণা’ বলে অভিহিত করেছে সায়েন্স নিউজ।

এর আগে নাসা ও সার্নে ইন্টার্নশিপ করেছেন অনন্যা। এছাড়া তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও কিছুদিন পড়ালেখা করেছেন। ২০১৯ সালে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন তিনি।

সায়েন্স নিউজের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, অনন্যা একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী। বর্তমানে ডার্টমাউথ কলেজের সঙ্গে তিনি যুক্ত আছেন। একসময় ঢাকার বাসিন্দা এই তরুণী কৃষ্ণগহ্বরের পূর্ণাঙ্গ চিত্র এঁকেছেন। তাতে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে কৃষ্ণগহ্বরগুলো বেড়ে উঠে এবং পরিবেশে কী প্রভাব রাখে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে তিনি এ চিত্র অংকন করেন।

১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত সায়েন্স নিউজ একটি স্বাধীন ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। বিজ্ঞান, ওষুধ ও প্রযুক্তির হালনাগাদ তথ্য সরবরাহই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠান গত ৬ বছর আগে থেকে তরুণ ও ক্যারিয়ারের মাঝামাঝি থাকা বিজ্ঞানীদের একটি শীর্ষ তালিকা প্রস্তুত করে আসছে। সাধারণত ৪০ বছর বা তার কম বয়সী বিজ্ঞানীরা এ তালিকায় স্থান পেয়ে থাকেন। সেখানেই স্থান পেলেন বাংলাদেশের মেয়ে অনন্যা।

সায়েন্স নিউজের ওয়েবসাইটে আরও জানানো হয়, মাত্র ৫ বছর বয়সেই ঢাকা থাকাবস্থায় অনন্যার মধ্যে মহাকাশের স্বপ্ন বুনে দেন তার মা। তিনি তখন তার মেয়েকে মঙ্গলে অভিযানে যাওয়া পাথফাইন্ডার মহাকাশযানের গল্প শোনাতেন। মায়ের উৎসাহেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন অনন্যা। শুরু করেন মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা।

Share





Related News

Comments are Closed