সিলেটের দুই ল্যাবে আরো ১৬৪ জনের করোনা শনাক্ত
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের দুই ল্যাবে সোমবার (১০ আগস্ট) আরো ১৬৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তন্মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৪৪ জন ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ১২০ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এনিয়ে সিলেট বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৮১৩ জন। এ পর্যন্ত এ বিভাগে মারা গেছেন ১৫৩ জন।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় জানান, সোমবার ওসমানীর ল্যাবে ২৮২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তদের মধ্যে সিলেট জেলার ৩২ জন এবং মৌলভীবাজারের ১২ জন রয়েছেন।
অন্যদিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাম্মাদুল হক জানান, শাবির ল্যাবে সোমবার ৩৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে ১২০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তদের মধ্যে সিলেট জেলার ৫৭ জন, সুনামগঞ্জ জেলার ২৯ জন ও হবিগঞ্জ জেলার ৩৪ জন রয়েছেন।
এনিয়ে সোমবার (১০ আগস্ট) রাত দশটা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৮১৩ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৪৭৩৮ জন, সুনামগঞ্জে ১৬৪৫ জন, হবিগঞ্জে ১২৯৬ জন এবং মৌলভীবাজারে ১১২৪ জন।
আর সোমবার পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে সিলেট জেলার ১১২ জন, সুনামগঞ্জের ১৭ জন, হবিগঞ্জের ১১ জন এবং মৌলভীবাজারের ১৩ জন।
এছাড়া সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৪ হাজার ১৩২ জন সুস্থ হয়েছেন। এরমধ্যে সিলেট জেলার ১ হাজার ৩৯১ জন, সুনামগঞ্জের ১ হাজার ২৩৬ জন, হবিগঞ্জের ৮২৩ এবং মৌলভীবাজারের ৬৮২ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গত ৫ এপ্রিল সিলেটে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: মো: মঈন উদ্দিন-এর । ১৫ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত এ চিকিৎসক মারা যান। এরপর বিভাগে একে একে ১৫৩ জন রোগী মারা গেছেন।
সোমবার স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের বুলেটিন থেকে জানা যায়, সিলেট বিভাগের চার জেলায় বর্তমানে হাসপাতালে করোনা পজিটিভ নিয়ে চিকিৎসাধীন আছেন ১৫০ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৮৩ জন, সুনামগঞ্জে ১২ জন, হবিগঞ্জে ৩৮ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৭ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা: আনিসুর রহমান বলেন, সিলেট জেলায় পরীক্ষা হচ্ছে বেশি ; তাই শনাক্তও হচ্ছে বেশি। তবে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে বয়োবৃদ্ধ এবং বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এমন সংখ্যা বেশি। তিনি বলেন, প্রথম দিকে আক্রান্তের তুলনায় সিলেট জেলায় সুস্থতার হার কিছুটা কম হলেও এখন সুস্থতার সংখ্যাও বাড়ছে।
Related News
সিলেটে ৬২ লাখ টাকার ভারতীয় মদসহ আটক ২
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বালুবাহী একটি ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় বিভিন্নRead More
বালাগঞ্জে সড়কজুড়ে ছোট-বড় গর্ত, দুর্ভোগে যাত্রীরা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার আদিত্যপুর-গহরমলি সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোথাওRead More



Comments are Closed