সিলেটে পরিবহন শ্রমিক নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্ক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রিপন (৪০) কে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নগরীর দক্ষিণ সুরমা এলাকার বাবনা পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছেন তার সঙ্গে থাকা শ্রমিক নেতা বাবলা আহমদ তালুকদার।
শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কদমতলী এলাকার বাবনা পয়েন্টস্থ সিতারা হোটেলের সামনে তারা হামলার শিকার হন। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিপনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ইকবাল হোসেন রিপন দক্ষিণ সুরমা এলাকার খোজার খলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি খায়রুল ফজল জানান, ইকবাল হোসেন রিপনের দুই হাতই বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই রিপন মারা যান বলে ধারণা করছেন তারা।
বাবনা পয়েন্টে নিয়মিত অবস্থান করেন ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন নেতারা। শুক্রবারও তারা সিতারা হোটেলের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় আকস্মিক দুর্বৃত্তরা তাদের উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায়।
এদিকে এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে দক্ষিণ সুরমার বাবনা পয়েন্ট, চন্ডিপুল পয়েন্ট, পারাইরচক, হুমায়ুন রশিদ চত্বর, শেরপুর সড়ক অবরোধ করে রেখেছে বিক্ষোভকারী শ্রমিকরা। এতে করে হাজার হাজার গাড়ী আটকে পড়ায় চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার বলেন, আমার এক শ্রমিক ভাই সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছে। আমরা শ্রমিক সংগঠন এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সাথে সাথে এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবী জানাচ্ছি। অতিসত্বর দোষীদের গ্রেফতার করা না হলে সারা সিলেট বিভাগ জুড়ে কঠোর কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে বলেও হুশিয়ারী প্রদান করেন।
Related News
বিয়ানীবাজারে ক্রেতার ঘুষিতে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিয়ানীবাজারে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ক্রেতার ঘুষিতেRead More
জৈন্তাপুরে অন্তঃস্বত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
Manual7 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জৈন্তাপুরে ঝুলন্ত অবস্থায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূরRead More



Comments are Closed