Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে দুই ল্যাবে আরো ৮৫ জনের করোনা শনাক্ত         সুনামগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত ব্যবসায়ীর মৃত্যু         শাবির ল্যাবে আরও ৪৬ জনের করোনা শনাক্ত         নবীগঞ্জে দুলাভাই-শ্যালিকার পরকীয়ার বলী হলেন মা         শায়েস্তাগঞ্জে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত ১         জাফলংয়ে আসা পর্যটকদের ফিরিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন         বিশ্বনাথে দুই ছেলের হামলায় পিতা আহত         ধর্মপাশায় নৌকা ডুবে মা-ছেলেসহ ৩জনের মৃত্যু         ছাতকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু         দলই চা বাগান খুলে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন         পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং ও ভুতুড়ে বিল বন্ধের দাবি         গোয়াইনঘাটে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আটক ৭        

প্রতীকী অনশনে ওসমানীর ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োজিত ৪র্থ শ্রেণীর ৮২ জন চাকুরিচ্যুত কর্মচারী চাকুরী বহালের দাবিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে টানা ২য় দিনের মতো প্রতীকী অনশন কর্মসুচি পালন করে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২ থেকে ২ টা পর্যন্ত তারা ৪ দফা দাবিতে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অনশন কর্মসূচি পালন করে।

তাদের ৪ দফা দাবির মধ্যে আছে- আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োজিত ৮২ জন কর্মচারীদের চাকুরী বহাল রাখা, চাকুরী রাজস্বখাতে স্থায়ীকরণ ও জাতীয়করণ করা, করোনায় ঝুঁকি ভাতা প্রদান করা এবং করোনায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা।

অনশন কর্মসূচিতে চম্পক দাসের সভাপতিত্বে ও শহীদুল ইসলামের পরিচালনায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম নেতা ও বাসদ জেলা সমন্বয়ক আবু জাফর, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশীদ সোয়েব, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের আহবায়ক মোখলেছুর রহমান প্রমূখ।

আন্দোলনকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফারজানা ইসলাম, সুজন মিয়া, সুমন দাস, ওয়াসিম খান, মাসকুদা আক্তার, উষা রানী দাশ প্রমুখ।

অনশন কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, ২০১৮ সালে কৃষ্ণা সিকিউরিটির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৮২জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তারা যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত বর্তমান মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) আইসোলেশন সেন্টার (সিলেট শহীদ সামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল) সহ ওসমানী মেডিকেলের ইনডোর, আউটডোর বিভাগ ও অফিসে এই দুর্যোগময় পরিস্থিতির সময়ও দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ইতোপূর্বে হাসপাতালের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা কয়েকজন কোভিড-১৯ এ আক্রান্তও হয়েছেন। বর্তমানে প্রায় ১০ জন উপসর্গ নিয়ে নিজ বাসায় হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে যখন তারা রাতদিন কাজ করেছেন, ঠিক তখনই কোন নোটিশ ছাড়া তাদেরকে হাসপাতাল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। গত ১ জুলাই থেকে ওই ৮২ জনকে ডিউটিতে না যাওয়ার জন্য মৌখিকভাবে নির্দেশ প্রদান করা হয়।

বক্তারা আরো বলেন, হাসপাতালের কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কতিপয় সিকিউরিটি কোম্পানীর কাছ থেকে অবৈধভাবে অধিক মোনাফা লাভের আশায় নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জরুরীভাবে জনবল নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা করছে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, অবিলম্বে তাদের চাকুরীতে বহাল না করলে তারা আরো কঠোর আন্দোলনের ঘোষনা দিবেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed