Main Menu

কুলাউড়ায় অচেতন অবস্থায় স্ত্রীসহ শিক্ষক উদ্ধার

Manual2 Ad Code

কুলাউড়া সংবাদদাতা: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ নবীন চন্দ্র সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাছিত চৌধুরীসহ তাঁর স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় শহরের নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে খবর পেয়ে স্থানীয়রা আশংকাজনক অবস্থায় তাঁদের কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

Manual5 Ad Code

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া পৌরশহরের উত্তরবাজারে নিজস্ব বাসায় শিক্ষক আব্দুল বাছিত চৌধুরী (৮০) ও তাঁর স্ত্রী খালেদা বেগম চৌধুরী (৬৫) বসবাস করতেন।

Manual7 Ad Code

এর আগে বৃহস্পতিবার কাজের জন্য এক মহিলা (৩৫) তাঁদের বাসায় আশ্রয় নেন। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর তারা দু’জন দুপুরের খাবারের পর অজ্ঞান হন। সন্ধ্যার পূর্বে পার্শবর্তী বাসার প্রতিবেশী এক মহিলা তাঁদের বাসায় গিয়ে দেখেন তারা দু’জন বিছানায় অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা শিক্ষকের স্বজনদের খবর দিলে তারা তাঁদেরকে বাসা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে যান।

তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে কুলাউড়া থানার (ওসি) তদন্ত সঞ্জয় চক্রবর্তী ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।

প্রবীণ এ শিক্ষকের অজ্ঞান হওয়ার খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে যান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সফি আহমদ সলমান, পৌর মেয়র শফি আলম ইউনুছ, কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল, ডা. আবু সাঈদ আব্দুল্লাহ মুকুল, ভাটেরা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ, পৌর কাউন্সিলর মনজুরুল আলম চৌধুরী খোকনসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

এদিকে শিক্ষক দম্পতির ছেলে-মেয়েরা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা বাসায় একা বসবাস করতেন।

Manual4 Ad Code

প্রতিবেশীরা জানান, ওই মহিলা বৃহস্পতিবার বিকেলে কাজের কথা বলে শিক্ষকের বাসায় আশ্রয় নেন। শিক্ষকের ছেলে-মেয়েরা দেশের বাইরে অবস্থান করার কারণে সুযোগ নিয়ে লুটপাটের উদ্দেশ্যে এই বাসায় আশ্রয় নিয়েছে এবং দুপুরে খাবারের সাথে চেতনানাশক ঔষুধ মিশিয়েছে।

Manual4 Ad Code

তাঁদের সাথে থাকা কাউন্সিলর মনজুরুল আলম চৌধুরী খোকন বলেন, আব্দুল বাছিত চৌধুরী স্যারের প্রেসার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। স্ত্রীর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাবেদ জিল্লুর বারীর তত্ত্বাবধানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

কুলাউড়া থানার (ওসি) তদন্ত সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, শুনেছি ওই মহিলা পেশাদার প্রতারক। তার সাথে আরো কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের ধরতে পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য, পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুরুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তাঁদেরকে চেতনানাশক ঔষুধ অথবা অন্যকিছু বেশি পরিমাণে খাওয়ানো হয়েছে। তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code