Main Menu
শিরোনাম
শাবির ল্যাবে আরো ২২ জনের করোনা শনাক্ত         কমলগঞ্জে এক বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল         জৈন্তাপুরে ভারতীয় পাতার বিড়িসহ গ্রেফতার ১         গোয়াইনঘাটে ধর্ষণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন         শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মহত্যা!         সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রী পপির আত্মহত্যা         ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে         বিশ্বনাথে বৃদ্ধ ও এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার          সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮৫৮২, মৃত্যু ১৫৩          ওসমানীর ল্যাবে আরো ৬১ জনের করোনা পজিটিভ         বিশ্বম্ভরপুরে বজ্রপাতে কৃষক নিহত         শ্রীমঙ্গলে ঘরে বসে সততা পরীক্ষার আয়োজন        

১০ সন্তানের মা এখন অসহায় ভিক্ষুক

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার জরিনা বেগম ১০ সন্তানের মা হয়েও মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, খাবারের সন্ধানে। তাঁর বয়স ৭০ বছর। দশটি সন্তানের মধ্যে ৭ জন ছেলে ও ৩ জন মেয়ে। ছেলেমেয়ে সবাই এখন কর্মক্ষম। পারিবারিক অবস্থা স্বচ্ছল ভালোই চলে তাদের জীবনযাপন। কিন্তু জরিনা বেগমকে চলতে হয় ভিক্ষা করে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হরিয়ামালা গ্রামের মনছুর আলীর স্ত্রী জরিনা বেগম। তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে কয়েক বছর আগে। স্বামীর মৃত্যু পর থেকেই তাঁর অসহায় ভিক্ষা জীবন শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত চলছে।

প্রতিবেশীরা জানান, ছেলেদের সংসার কাজ-কর্ম করে ভালোই চলে। কিন্তু কেউ তার মাকে খাবার দেয় না। গত দুই বছর ধরে জরিনা বেগম ভিক্ষা করে খান। শরীর খারাপ থাকলে ভিক্ষা করতে যেতে পারেন না। তখন না খেয়েই শুয়ে থাকেন। কোনো ছেলে বা ছেলের বউ তাকে খেতে দেয় না। খোঁজ-খবরও নেয় না। বড় ছেলে নূরুল ইসলাম লকুজ মিয়া, সালাম মিয়াসহ অন্যান্য ছেলেরা কেউই তাদের মাকে খেতে দেন না।

সন্তানদের ব্যাপারে জানতে চাইলে জরিনা বেগম বলেন, ‘আমার কোনো সন্তান নেই। আমার কেউ নেই।’

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে অল্প চাল থাকলেও তিনি রান্না করেননি। কারণ সকালে খেতে হবে। এ খবর পেয়ে কেন্দুয়ার কল্যাণী ফাউন্ডেশনের সভাপতি কল্যাণী হাসান জরিনা বেগমের বাড়িতে যান। কল্যাণী হাসানকে দেখে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন ওই বৃদ্ধা।

এ সময় কল্যাণী হাসান জানান, আমি ওই বৃদ্ধার দায়িত্ব নিতে চাই। তিনি যদি আমার বাড়িতে যেতে চান তাহলে নিয়ে যাব, না গেলে তার কাপড়-চোপড়সহ ভরণপোষণের দায়িত্ব নেব। এ পর্যন্ত ওই বৃদ্ধা বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা কোনো কিছুই পাননি বলেও জানান তিনি।

0Shares





Related News

Comments are Closed