Main Menu

বিশ্বনাথে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, আটক ৪

Manual5 Ad Code

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে পূর্ববিরোধের জের ধরে পুলিশের সামনেই প্রতিপক্ষের হামলায় ইউপি সদস্য, মহিলা ও পঞ্চায়েতর চারজনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২৭ মে) উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের কিশোরপুর গ্রামের মসজিদের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

Manual1 Ad Code

হামলায় আহত হয়েছেন-পঞ্চায়েত পক্ষের একই গ্রামের মৃত আব্বাছ আলীর পুত্র মজিদ মিয়া (৫৫), মৃত মনোহর আলীর পুত্র ইরণ মিয়া (৩৮), আশিক আলীর পুত্র ইমন মিয়া (২০), শফিক মিয়ার পুত্র আতিকুর রহমান (১৫), শফিক মিয়ার স্ত্রী আয়না বিবি (৫০) ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির উদ্দিনসহ ১০ জন।

Manual4 Ad Code

অভিযোগ রয়েছে পুলিশের হামলায় আয়না বিবি নামে এক নারী আহত হয়েছেন। আর মধ্যস্থতা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন ইউপি সদস্য আমির উদ্দিন। তার মধ্যে পঞ্চায়েত পক্ষের মজিদ মিয়া, ইরণ মিয়া, ইমন মিয়া ও আতিকুর রহমানকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আহত ইমন মিয়ার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

Manual8 Ad Code

এদিকে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে পঞ্চয়েত পক্ষের লোকজনসহ চারজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন-পঞ্চায়েত পক্ষের আফতাব আলী (৬০), তার ছেলে জুয়েল মিয়া (৩০), রুমেল মিয়া (২৬) ও নজির মিয়ার সৎভাই জিয়া উদ্দিন (৪০)।

Manual3 Ad Code

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের নজির উদ্দিন ও প্রতিপক্ষ চাচাতো ভাই সফিক উদ্দিনের ছেলে সইফ উদ্দিনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। তাদের বিরোধ নিস্পত্তির লক্ষে একাধিকবার পঞ্চায়েতের লোকজন উদ্যোগ নেন। কিন্তু পঞ্চায়েতের এই উদ্যোগকে না মানায় সইফ উদ্দিনদেরকে পঞ্চায়েতের সকল কার্যক্রম থেকে বাদ দেয়া হয়। এতে ২৬ মে রোববার সকালে সইফ উদ্দিনের পিতা সফিক উদ্দিনকে পঞ্চায়েতের জায়গা দিয়ে চলাচল করতে নিষেধ করা হয়। এরই জের ধরে ওইদিন বেলা আড়াইটার দিকে সফিক উদ্দিন থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে গ্রামে যান। বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে বৈঠকের জন্য পুলিশের সাথে গ্রামের লোকজন প্রস্তুতি নেন। এসময় সফিক উদ্দিনের ছোট ছেলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রুবেল আহমদ (২৬) ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র ছুরা দিয়ে মেরে মজিদ মিয়া, ইরণ মিয়া, ইমন মিয়া ও আতিকুর রহমানকে আহত করে। এক পর্যায়ে গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশের উপরও হামলা করা হয়। পরে পুলিশ পঞ্চায়েত পক্ষের শফিক মিয়ার বসত ঘরে হামলা করে ভাংচুর ও আয়না বিবিকে আহত করা হয়। এতে গ্রেফতার আতংকে পুরুষ ও মহিলারা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানাগেছে।

বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ শামসুদ্দোহা পিপিএম সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code