Main Menu

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে বুক বেঁধেছেন সাত্তার- সুরাইয়া দম্পতির শোকাহত সন্তানরা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বার সংবাদ সম্মেলন করে মা-বাবা ও গৃহকর্মী খুনের সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছেন সিলেটের রায়নগরে খুনের শিকার আব্দুস সাত্তারের সন্তানরা।

তারা বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মহানগরের জল্লারপারস্থ খান হাউসে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

এতে আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগমের মেয়ে সেলিনা সুলতানা শিখা ও তারানা সুলতানা শিমু বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন- আমাদের দাবি একটাই, এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচার। গতকাল মঙ্গলবার আমরা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি তুলে ধরেছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন- সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের। পাশাপাশি তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। আমরা এখন আশাবাদি, সঠিক বিচার পাবো। আমরা সিলেটের সাংবাদিক ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই, এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে থাকার জন্য। সিলেটবাসী আমাদের পরিবারের প্রতি যে সহযোগিতা ও সহমর্মিতা দিয়ে ন্যায় বিচারের জন্য সোচ্চার হয়েছেন, সেজন্য জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। এছাড়া সিলেটের সকল মন্ত্রী-এমপির প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাত্তার-সুরাইয়ার মেয়েরা বলেন- আমরা এজাহারে নির্দিষ্ট করে কারও প্রতি অভিযোগ তুলিনি। আমরা শুধু পুলিশের নজরে নিয়ে এসেছি যে, আমাদের বাবার জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে একজন আইনজীবির সঙ্গে। এখন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে তিনি জড়িত আছেন কি না সেটি বের করার দায়িত্ব পুলিশের।

বক্তব্যে তারা আরও বলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও যদি সুষ্ঠু বিচার না পাই তবে আমরা পরবর্তীতে এভাবে সংবাদ সম্মেলন করে সিলেটবাসীকে সিদ্ধান্ত জানাবো।

উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সকালে রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকায় নিজ বাসায় খুন হন আওয়ামী লীগ নেতা ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক এম এ সাত্তার (৯০), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহকর্মী তাহমিনা বেগম (১৫)। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের দিন পুলিশ বাবুল মিয়া নামে এক রংমিস্ত্রীকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিন পর (১৭ আগস্ট) নিজেদের বাসায় প্রথম সংবাদ সম্মেলন করে নিহত দম্পতির প্রবাসী ছেলে-মেয়েরা ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে পুলিশের তদন্ত সন্তোষজনক না হলে মামলাটি অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তরেরও দাবি জানিয়েছিলেন তারা।

Share





Related News

Comments are Closed