Main Menu

সিলেটে নতুন কারাগারে বন্দি স্থানান্তর সম্পন্ন

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট শহরতলীর বাদাঘাটে নবনির্মিত নতুন কারাগারে বন্দি স্থানান্তর সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (১১ জানুয়ারী) সকাল ৬টা থেকে বন্দিদের নতুন কারাগারে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়। বন্দি স্থানান্তর চলে বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। বন্দি স্থানান্তরে শুক্র ও শনি দুইদিন লাগতে পারে বলে জানানো হলেও প্রথম দিনেই এ কাজ সম্পন্ন হয়।

Manual4 Ad Code

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আব্দুল আজিজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুরাতন কারগারে থাকা ২৩০০ বন্দিকে নতুন কারাগারে নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েদি ৭৮৮ ও হাজতি বন্দি ১৫২২ জন। এদের মধ্যে ৫৬ জন মহিলা বন্দি রয়েছেন।

তিনি বন্দি স্থানান্তর সুষ্ঠুভাবে শেষ হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

Manual6 Ad Code

এদিকে বন্দি স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরাতন ও নবনির্মিত কারাগার এবং বিভিন্ন পয়েন্টে মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ র‍্যাবের চৌকস দলের নেতৃত্ব বন্দীদের নিয়ে আসা হয়।

এ বন্দি স্থানান্তরের মাধ্যমে প্রায় ২২৯ বছর পর নতুন ঠিকানায় যাত্রা করলো সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার।

নতুন কারাগারে বন্দি ধারণ ক্ষমতা দুই হাজার। ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর এটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারাগারটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ২৭০ কোটি টাকা। উদ্বোধনের পর থেকে নব নির্মিত কারাগারের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। কারারক্ষীসহ কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন কারাগারে অফিস করা শুরু করেন।

Manual6 Ad Code

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের পুরাতন থেকে নতুন ভবনে বন্দি স্থানান্তরের কারণে ৩দিন বন্দিদের সাথে স্বজনরা সাক্ষাত করতে পারবেন না। এ নিয়ে নোটিশ জারি করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৩ জানুয়ারী রোববার থেকে আবারো বন্দিদের সাথে দেখা করতে পারবেন স্বজনরা।

নগরীর ধোপাদিঘীরপাড়ে ১৭৮৯ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ২৪ দশমিক ৬৭ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল সিলেট জেলা কারাগার। ১৯৯৭ সালে এটি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের মর্যাদা পায়। তখন এর ধারণ ক্ষমতা দাঁড়ায় ১ হাজার ২১০ জনে।

Manual5 Ad Code

শহরতলীর বাদাঘাটে নতুন কারাগার নির্মাণের প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (একনেক) পাস হয়েছিল ২০১০ সালে। এটি নির্মাণের দায়িত্বে ছিল সিলেট গণপূর্ত বিভাগ।

পুরাতন কারাগারে ধারন ক্ষমতার দ্বিগুনেরও বেশি বন্দিদের মানবেতর জীবনযাপনের বিষয়টি বিবেচনায় এনে সিলেট শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার বাদাঘাটে ৩০ একর জমির উপর নতুন কারাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১১ সালে ২৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ কারাগার নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। তবে ওই বছর আগস্টে ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করা হলেও ২০১২ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৫ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মেয়াদ ২০১৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এর কাজ, পুকুর খনন ও গ্যাস সংযোগ ছাড়া ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যায়। সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয় ২০১৮ সালের জুন মাসে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code